খুলতে চলেছে কেদারনাথ মন্দিরে দরজাকেদারনাথ মন্দিরে তুষারপাত কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার থেকেই একটানা তুষারপাত হচ্ছে 'দেবভূমি'র এই এলাকায়। টানা তুষারপাতের জেরে তীর্থযাত্রার প্রস্তুতিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ দরজা খোলার সময় ক্রমেই এগিয়ে আসছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল কেদারনাথ সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বরে বরফে আবৃত থাকে। তবে এই বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কেদারনাথের দরজা ছিল তুষারমুক্ত। কিন্তু, এপ্রিল মাসে মন্দিরের দরজা খোলার ঠিক আগে ভারী তুষারপাত হচ্ছে।
কবে থেকে কেদারনাথ মন্দিরের দরজা খুলছে?
১৯ এপ্রিল কেদারনাথ দেবের পালকি তাঁর শীতকালীন আবাস ওমকারেশ্বর মন্দির থেকে কেদারনাথ মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। এরপর ২২ এপ্রিল বাবা কেদারনাথের দরজা খোলা হবে।
শ্রী বদ্রি কেদার মন্দির কমিটির সদস্য বিনীত পোস্তি জানিয়েছেন,গত ২০ ঘণ্টা ধরে মন্দিরে একটানা তুষারপাত হচ্ছে। এই তুষারপাতের মধ্যেই মন্দিরে প্রস্তুতি চলছে। এই বছর চার ধাম যাত্রা ২০২৬-এর সূচনা বিশেষ ও স্মরণীয় হতে চলেছে।
গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী মন্দিরের দরজা কবে খুলবে?
বিনীত পোস্তি জানান, ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী মন্দিরের দরজা খুলবে। এর অর্থ হল এইবার ভক্তরা এবার শুধু ভক্তি নিয়ে দেব দর্শন করবেন তাই নয়, বরং রফে ঢাকা উপত্যকার মনোমুগ্ধকর ও বিরল দৃশ্যও দেখতে পাবেন। গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী মন্দির বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে বরফের চাদরে ঢাকা। মন্দির চত্বর থেকে শুরু করে চারপাশের পাহাড়, গাছপালা, লতাপাতা, রাস্তাঘাট- সব কিছুই থাকবে সাদা বরফে আবৃত।
অন্যদিকে, গোমুখ ট্রেক প্রায় আধ ফুট বরফে ঢাকা। গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী মন্দির প্রায় দুই ইঞ্চি পুরু বরফের স্তরে আবৃত। পরিস্থিতি এখন এমন, যেদিকেই তাকানো হচ্ছে সেদিকেই বরফে ঢাকা। এমনকি গাছের ডালপালাও বরফে ঢাকা রয়েছে। এই বরফ আবৃত এলাকা এখন কার্যত স্বর্গে পরিণত হয়েছে।