Kerosene at petrol pumps: এবার পেট্রোল পাম্পেও মিলবে কেরোসিন, LPG সঙ্কটের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্পগুলো রান্না ও আলোর কাজে ব্যবহারের জন্য পরিবারগুলিকে কেরোসিন মজুত ও সরবরাহ করতে পারবে। প্রতিটি পাম্প সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন সংরক্ষণ করতে পারবে। পাশাপাশি, প্রতিটি জেলায় সর্বাধিক দুটি করে এমন আউটলেট নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

Advertisement
এবার পেট্রোল পাম্পেও মিলবে কেরোসিন, LPG সঙ্কটের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
হাইলাইটস
  • পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্র সরকার কেরোসিন বিতরণে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে।
  • ২৯ মার্চ জারি হওয়া এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে কেরোসিন বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই জ্বালানি সহজে পৌঁছয়।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্র সরকার কেরোসিন বিতরণে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। ২৯ মার্চ জারি হওয়া এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে কেরোসিন বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই জ্বালানি সহজে পৌঁছয়।

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট-সহ মোট ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (পিডিএস)-এর মাধ্যমে উন্নত মানের কেরোসিন (এসকেও) সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই সব জায়গায় আগে ধাপে ধাপে কেরোসিন সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্পগুলো রান্না ও আলোর কাজে ব্যবহারের জন্য পরিবারগুলিকে কেরোসিন মজুত ও সরবরাহ করতে পারবে। প্রতিটি পাম্প সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন সংরক্ষণ করতে পারবে। পাশাপাশি, প্রতিটি জেলায় সর্বাধিক দুটি করে এমন আউটলেট নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২-এর কিছু শর্ত শিথিল করা হয়েছে। ফলে কেরোসিন ডিলার ও পরিবহণকারী যানবাহনের জন্য লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়মও সহজ করা হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে যে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে এবং শেষ স্তর পর্যন্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্বালানির প্রাপ্যতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যমান খুচরা পাম্পগুলিকে ব্যবহার করে দ্রুত কেরোসিন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তেল সংস্থাগুলিকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংস্থার নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে।

এই শিথিলতা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে এবং আপাতত ৬০ দিন বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এদিকে, জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজর রাখতে একটি আন্তঃমন্ত্রকীয় গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে আয়োজিত প্রথম বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে নির্মলা সীতারামন, কিরেন রিজিজু, হরদীপ সিং পুরি, মনোহর লাল খট্টর এবং জেপি নাড্ডাসহ একাধিক শীর্ষ মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

এই গোষ্ঠী জ্বালানি সরবরাহ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রাপ্যতা, অবকাঠামোর স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিক সরবরাহ শৃঙ্খলের ঝুঁকি খতিয়ে দেখছে। পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র।

 

POST A COMMENT
Advertisement