
দিল্লি জুড়ে হাই অ্যালার্ট। সূত্রের খবর, পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠন রাজধানী শহরে লাল কেল্লার কাছে বড়সড় হামলা চালাতে পারে। তাদের নিশানায় দিল্লির একাধিক মন্দির এবং ধর্মীয় স্থান এবং ভিড়ে ঠাসা হেরিটেজ এলাকাগুলি।
ইন্ডিয়া টুডে-র হাতে এসেছে একটি ইন্টালিজেন্স নোট থেকে পাওয়া তথ্য। যেখানে জানা গিয়েছে, জঙ্গিরা IED ব্লাস্ট ঘটাকে পারে লাল কেল্লা এবম চাঁদনি চক এলাকার মন্দির এবং ঘিঞ্জি এলাকাগুলিতে।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের মসজিদে যে ব্লাস্ট হয়েছে, সেটির বদলা নিতেই ভারতের মন্দিরগুলি টার্গেট করেছে লস্কর-ই-তৈবা। কেবলমাত্র দিল্লি নয়, দেশ জুড়ে একাধিক বড় মন্দিরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছকেছে এই জঙ্গি সংগঠন।
এই ইনপুট পাওয়ার পর দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি নজরদারি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিকে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। বিশেষ করে পুরনো দিল্লিতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে সর্বত্র। গাড়িগুলিতে চেকিং বাড়ানো হয়েছে। ধর্মীয় এবং পর্যটন স্থানগুলিতে কোনওরকম ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত মিললেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এর আগেও ভারতের বিরুদ্ধে ফের বড়সড় ষড়যন্ত্রের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল এই জঙ্গি সংগঠন। 'দিল্লি কাঁপাব, আগ্রাকে জ্বালিয়ে দেব' হুমকি এসেছিল। সম্প্রতি লাহোরে এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিল লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি সৈয়দ আবদুল রহমান নকভি। তার গলাতেই শোনা যায়, ভারত তথা কাশ্মীর নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য। জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তি আদতে পাকিস্তান মারকাজি মুসলিম লিগের নেতা। যা লস্করের মুখোশ সংগঠন বলে পরিচিত।
কুখ্যাত জঙ্গি হাফিজ সইদ এবং তার ছেলে তালহা সইদের ঘনিষ্ট বলেই পরিচিত এই সৈয়দ আবদুল রহমান নকভি। লাহোরের ওই লমাবেশে কাশ্মীরকে 'আজাদ' করার শপথ নেয় সে। প্রকাশ্যে ভারত সন্ত্রাস ছড়ানোর হুমকি দিতেও শোনা যায় তাকে।