ওম বিড়লাতাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় সংসদে উপস্থিত থাকবেন না স্পিকার ওম বিড়লা। যদিও নিয়ম অনুযায়ী এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই, তবুও তিনি সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সূত্র বলেছে, সরকার বা বিরোধীরা তাঁকে রাজি করার চেষ্টা করতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন সংসদে উপস্থিত থাকবেন না।
তথ্য অনুযায়ী, বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই অর্থাৎ ৯ মার্চ, লোকসভার স্পিকারকে তাঁর পদ থেকে অপসারণের জন্য বিরোধীদের আনা প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীর্ষ সূত্রের খবর, প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলে, ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের উপর একই দিনে লোকসভায় আলোচনা হতে পারে।
ওম বিড়লার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ কংগ্রেসের
কংগ্রেস লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে রাজ্যসভার মহাসচিবের কাছে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ জমা দিয়েছে। নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা পক্ষপাতদুষ্টভাবে সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বেশ কয়েকবার বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা সংসদে তাদের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার। কংগ্রেস জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার সময় স্পিকার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের লোকসভায় কথা বলতে দেননি। নোটিশে আট সংসদ সদস্যের স্থগিতাদেশের বিষয়টিও তোলা হয়েছে।
রাহুল গান্ধী প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেননি
কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১টা ১৪-তে লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে নিয়ম ৯৪সি এর অধীনে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে, একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। কংগ্রেস সূত্রের খবর, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে স্বাক্ষর করেননি। দল জানিয়েছে, সংসদীয় গণতন্ত্রে, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে স্পিকারকে অপসারণের প্রস্তাবে স্বাক্ষর করা উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয় না।