Madhya Pradesh Watermelon Death Case: বুকে জ্বালা কমাতে তরমুজ খেয়েছিলেন, মধ্যপ্রদেশে পিতার মৃত্যু; যমে-মানুষে লড়াই পুত্রের

Madhya Pradesh Watermelon Death Case: তরমুজ খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এক ব্যক্তি, অন্যদিকে তাঁর ছেলের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ফল ও খাদ্যদ্রব্যের বিশুদ্ধতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement
বুকে জ্বালা কমাতে তরমুজ খেয়েছিলেন, মধ্যপ্রদেশে পিতার মৃত্যু; যমে-মানুষে লড়াই পুত্রেরMadhya Pradesh Watermelon Death Case: বুকে জ্বালা কমাতে তরমুজ খেয়েছিলেন, মধ্যপ্রদেশে পিতার মৃত্যু; যমে-মানুষে লড়াই পুত্রের

Madhya Pradesh Watermelon Death Case: গ্রীষ্মের দাবদাহে শরীর ঠান্ডা করতে ফল খাওয়ার রেওয়াজ নতুন নয়। কিন্তু সেই ফলই যে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মধ্যপ্রদেশের শেপুরের এক মর্মান্তিক ঘটনা। তরমুজ খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এক ব্যক্তি, অন্যদিকে তাঁর ছেলের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ফল ও খাদ্যদ্রব্যের বিশুদ্ধতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মৃতের নাম ইন্দ্র কুমার পরিহার (৪৩)। পেশায় গাড়িচালক ইন্দ্র কুমার আদতে সাজাপুর জেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে শ্যেপুরের একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। পরিবার সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বাবা ও ছেলের শরীর কিছুটা অসুস্থ ছিল। শুক্রবার সকালে তাঁরা দুজনে পেট ঠান্ডা করার আশায় বাড়িতে রাখা তরমুজ খান। কিন্তু খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাঁদের জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইন্দ্র কুমারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কোটায় রেফার করা হয়। কিন্তু যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। ২১ বছরের তরুণ বিনোদ বর্তমানে হাসপাতালের বিছানায় জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাজার চলতি তরমুজে দ্রুত রঙ ধরাতে বা মিষ্টি করতে বিষাক্ত রাসায়নিক কিংবা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও প্রশাসন এখনই তরমুজকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে মেনে নিতে নারাজ। জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডঃ আর.বি গোয়েল জানিয়েছেন, এটি নিছক ফুড পয়জনিং নাকি মারাত্মক কোনও পাকস্থলীর সংক্রমণ (Stomach Infection), তা ময়নাতদন্ত ও ল্যাবরেটরি রিপোর্ট আসার আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রদেশে তরমুজ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম নয়। গত বছর ছিন্দওয়াড়াতেও একই কায়দায় মৃত্যু হয়েছিল এক যুবকের। এমনকি ছত্তিশগড়েও তরমুজ খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হওয়া ও এক কিশোরের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। শ্যেপুরের ঘটনায় ইন্দ্র কুমারের পরিবার এখন শোকাতুর। প্রশাসনের তরফে তরমুজের নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি গোটা ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বাজার থেকে ফল কিনে খাওয়ার আগে আমজনতার মনে সংশয় কাটছে না।
 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement