
বিমান দুর্ঘটনায় মৃত অজিত পাওয়ারব্যক্তিগত প্লেন ক্র্যাশে মৃত্যু হয় এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ারের। বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি জেলার একটি মাঠে প্লেনটি ভেঙে পড়ে। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ার সহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে পাওয়ার মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন। সেই সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্লেনটি মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এতে আগুন ধরে যায়। ধ্বংসাবশেষ থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। স্থানীয়রা সাহায্যের জন্য ছুটে আসেন।
বিমানটিতে পাঁচজন আরোহী ছিলেন, যাদের সকলেই মারা গেছেন। আজ অজিত পাওয়ারের বারামতি পৌঁছনোর কথা ছিল। চারজনের একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। স্থানীয়রা এবং পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে প্রায় তিন-চার কিলোমিটার দূরে রানওয়েতে পৌঁছনোর আগেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বারামতির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। প্রাক্তন এনসিপি নেতা মজিদ মেমন বলেছেন, দুর্ঘটনাটি দুঃখজনক। ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই দিন বারামতিতে অজিত পাওয়ারের চারটি ভিন্ন জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্ধার কাজ পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পুলিশ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলটি ঘিরে রাখেন। নিরাপত্তা জোরদার করেন।

ঘটনাস্থলে বিমানের ধ্বংসাবশেষ রয়ে গেছে। ধোঁয়া উঠতে থাকে। স্থানীয়রা বালতি জল নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। কীকরে দুর্ঘটনা ঘটল? পুলিশ তদন্ত করছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর কেবল রাজনীতিতেই নয়, শোকের ছায়া নেমে আসে সাধারণ মানুষের মধ্যেও।
বারামতির গ্রামীণ পুলিশ সুপার (এসপি) ঘটনাটি সম্পর্কে জানিয়েছেন
বারামতি গ্রামীণ পুলিশ সুপার (এসপি) সন্দীপ সিং বলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনাক্তকরণের পর আরও তথ্য জানানো হবে। বিমানটি অবতরণের সময় কিছু একটা গোলমাল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে; আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা আপডেট করা হবে। বিমানটিতে পাঁচজন আরোহী ছিলেন: দু'জন ক্রু সদস্য, দু'জন যাত্রী এবং একজন পাইলট।