মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়নিট ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে এবার দিল্লি যাচ্ছেন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবারই তিনি ককরোচ জনতা পার্টির ধর্নায় যোগ দেবেন বলে খবর মিলছে। রাজ্য থেকে ক্ষমতা হারানোর পর এই তিনি দিল্লিতে কোনও জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন।
আসলে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে এখনও আন্দোলন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলনের পাশে থাকতে সোমবারই দিল্লি যেতে পারেন মমতা বলে খবর মিলছে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে ক্ষোভ উগড়ে দেন
নিট ইস্যুতে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টা নিয়ে সরব হন।
মমতা লেখেন, 'আমি প্রথম থেকেই ছাত্রছাত্রীদের পাশে এবং তাঁদের আন্দোলনের সমর্থনে দাঁড়িয়ে আছি। তাঁদের লড়াই শুধু নিট কেলেঙ্কারিতে ন্যায়বিচারের জন্য নয়, এটি দেশের প্রতিটি তরুণ ভারতীয়ের ভবিষ্যৎ রক্ষার লড়াই।'
এখানেই শেষ না করে 'শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের উপর দিল্লি পুলিশের নির্মম দমন-পীড়ন' নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি লেখেন, 'ছাত্রছাত্রীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়েছে, পেলেট গান থেকে গুলি চালানো হয়েছে। কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে।'
তাঁর মতে, একটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ভয় পেয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই তারা যন্তর মন্তর ও তার আশপাশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, 'প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা বলেন এবং কঠোর জবাবদিহির আশ্বাস দেন। অথচ গতকালই সিবিআই জানিয়েছে যে ২০২৪ সালের নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় মূল চক্রীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ তারা পায়নি। যদি লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ নষ্ট করার অভিযোগে অভিযুক্তরা জবাবদিহির বাইরে থেকে যান, তাহলে সরকার আসলে কাদের রক্ষা করছে? দেশজুড়ে ছাত্রছাত্রীরা যে প্রশ্ন তুলছে, তার জবাব না দিয়ে সরকার কেন শিক্ষামন্ত্রীকে বাঁচাতে এত মরিয়া?'
তিনি দাবি করেন, সব বিরোধী শিবির এবং গোটা দেশ ছাত্রছাত্রী ও যুবসমাজের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।