Namaz on Roads: 'রাস্তায় নমাজ ঠিক নয়, শরিয়তেও বারণ,' BJP সরকারের সিদ্ধান্তে সমর্থন মৌলানার

রাস্তা আটকে নমাজ পড়া যাবে না। আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। একই পথে হেঁটেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এই নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। তবে বিজেপির এই নির্দেশকেই পূর্ণ সমর্থন জানালেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মৌলানা শাহবুদ্দিন রাজভী।

Advertisement
'রাস্তায় নমাজ ঠিক নয়, শরিয়তেও বারণ,' BJP সরকারের সিদ্ধান্তে সমর্থন মৌলানারবিজেপির এই নির্দেশকেই পূর্ণ সমর্থন জানালেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মৌলানা শাহবুদ্দিন রাজভী।
হাইলাইটস
  • বিজেপি সরকারের এই নির্দেশকেই পূর্ণ সমর্থন জানালেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি।
  •  জানালেন, 'ইসলাম বা শরিয়তেও রাস্তার উপর নামাজ পড়ার অনুমতি নেই।'
  • ভিড় বেশি হলে শিফটে, অর্থাৎ, একাধিক জামাতে নামাজ পড়ার কথাও উল্লেখ করেন।

রাস্তা আটকে নমাজ পড়া যাবে না। আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। একই পথে হেঁটেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এই নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। তবে বিজেপি সরকারের এই নির্দেশকেই পূর্ণ সমর্থন জানালেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মৌলানা শাহবুদ্দিন রাজভী(Maulana Shahabuddin Razvi)। জানালেন, 'ইসলাম বা শরিয়তেও রাস্তার উপর নামাজ পড়ার অনুমতি নেই।' ভিড় বেশি হলে শিফটে, অর্থাৎ, একাধিক জামাতে নামাজ পড়ার কথাও উল্লেখ করেন।

আগামী ২৮ তারিখ বকরিদ উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশে নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, রাস্তা বা জনসমক্ষে নামাজ পড়া যাবে না। প্রয়োজনে বিভিন্ন শিফ্‌টে নামাজের আয়োজন করতে হবে। তবে মসজিদে, হলঘরে অথবা নিজেদের বাড়িতে নমাজ পড়া নিয়ে কোনও আপত্তি নেই।সেই মন্তব্য নিয়েই রাজনৈতিক এবং সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

সোমবার বরেলিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মৌলানা শাহাবুদ্দিন রাজ়ভি বলেন, 'মসজিদ বা বাড়িতে নামাজ পড়াই ইসলামের নিয়ম। কোনও মুসলিম ইচ্ছাকৃত ভাবে রাস্তায় নামাজ পড়েন না।' তাঁর দাবি, শরিয়তে স্পষ্ট ভাবে বলা রয়েছে, ভিড় বেড়ে গেলে একাধিক জামাতে নামাজ পড়ানো যেতে পারে। অর্থাৎ প্রথম জামাতের পর দ্বিতীয়, তৃতীয় বা আরও কয়েকটি শিফ্‌টে নামাজ আয়োজন করা সম্ভব। এতে যেমন শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্মীয় আচার সম্পন্ন হয়, তেমনই সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও সমস্যা তৈরি হয় না।

মৌলানার বক্তব্য, নমাজ হল মানুষের সঙ্গে আল্লাহর একান্ত সম্পর্কের বিষয়। সেখানে মনোযোগ এবং শান্তি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই এমন জায়গায় নামাজ হওয়া উচিত, যেখানে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বা বাধা থাকবে না। তাঁর কথায়, 'মসজিদে নামাজ পড়লে বেশি সওয়াব মেলে। তবে বাড়িতে নামাজ পড়লেও ধর্মীয় মর্যাদা বজায় থাকে।'

শুধু নামাজ নয়, বকরিদে কোরবানি নিয়েও বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মৌলানা। তিনি আবেদন জানিয়েছেন, কোনও ভাবেই প্রকাশ্য রাস্তা, গলি বা খোলা জায়গায় কোরবানি করা যাবে না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ি বা ব্যক্তিগত জায়গাতেই সেই ধর্মীয় রীতি পালন করুন। পাশাপাশি কোরবানির স্থান চারদিক থেকে ঢেকে রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, যাতে অন্য কারও আপত্তি বা অসুবিধা না হয়।

Advertisement

মৌলানা আরও বলেন, কোরবানির পর পশুর বর্জ্য বা অবশিষ্ট অংশ যথাযথ ভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং আইন মেনে চলার উপরও জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে মুসলিম সমাজের উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, কোনও নিষিদ্ধ পশুর কোরবানি করা যাবে না। 

POST A COMMENT
Advertisement