Naxalism in India: ডেডলাইন ৩১ মার্চ, নকশাল দমনে ফাইনাল অপারেশনে নামছে জওয়ানরা, কী কী প্ল্যান? রক্তবন্যা বইবে!

ত্তিশগড় থেকে সিআরপিএফ-এর এলিট জঙ্গল ওয়ারফেয়ার ইউনিট 'কোবরা' (CoBRA)-কে সরিয়ে আনা হয়েছে ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূমের সারান্ডা জঙ্গলে। কুখ্যাত মাওবাদী নেতা মিসির বেশরা ওরফে ভাস্করকে ধরাই এই মুভমেন্টের লক্ষ্য।

Advertisement
ডেডলাইন ৩১ মার্চ, নকশাল দমনে ফাইনাল অপারেশনে নামছে জওয়ানরা, কী কী প্ল্যান?নকশাল বিরোধী চূড়ান্ত অভিযান
হাইলাইটস
  • সারান্ডায় 'কোবরা' হানা, সীমান্তে কড়া প্রহরা
  • আত্মসমর্পণ নাকি সংঘাত?
  • ল্যান্ডমাইন মুক্ত করার চ্যালেঞ্জ

ডেডলাইন আসন্ন। মাওবাদী দমনে একেবারে ফাইনাল অভিযানের তোড়জোড় শুরু কেন্দ্রের। এতদিন যে অভিযান চলছিল, নকশাল দমনে তার চেয়েও ভয়াবহ অভিযান শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বেঁধে দেওয়া ৩১ মার্চের সময়সীমার ঠিক মুখে দাঁড়িয়ে মাওবাদী দমনে এবার চূড়ান্ত অভিযানে নামছে নিরাপত্তা বাহিনী। লক্ষ্য, দেশ থেকে বামপন্থী উগ্রপন্থা বা নকশালবাদের শিকড় উপড়ে ফেলা।

সারান্ডায় 'কোবরা' হানা, সীমান্তে কড়া প্রহরা

ছত্তিশগড় থেকে সিআরপিএফ-এর এলিট জঙ্গল ওয়ারফেয়ার ইউনিট 'কোবরা' (CoBRA)-কে সরিয়ে আনা হয়েছে ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূমের সারান্ডা জঙ্গলে। কুখ্যাত মাওবাদী নেতা মিসির বেশরা ওরফে ভাস্করকে ধরাই এই মুভমেন্টের লক্ষ্য। একইসঙ্গে মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গানা ও ওড়িশার সীমানা সিল করে দিয়ে একযোগে অভিযান চালানো হচ্ছে, যাতে কোনও ভাবেই মাওবাদী ক্যাডাররা সীমান্ত পার হতে না পারে।

আত্মসমর্পণ নাকি সংঘাত?

এখনও প্রায় ১৩০ থেকে ১৫০ জন সশস্ত্র মাওবাদী ক্যাডার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে রয়েছেন। একদিকে যেমন গুলির লড়াইয়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে, তেমনই অন্যদিকে শীর্ষ মাওবাদী নেতা রামান্না ওরফে গণপতির আত্মসমর্পণের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে। ৩১ মার্চের মধ্যে হয় বন্দুক ছাড়তে হবে, নয়তো চূড়ান্ত সংঘাতের মুখোমুখি হতে হবে। কড়া বার্তা দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।

বদলে যাচ্ছে রণকৌশল: বাহিনী প্রত্যাহার ও উন্নয়ন

৩১ মার্চের পর নকশাল অধ্যুষিত জেলাগুলোতে বড়সড় প্রশাসনিক রদবদলের পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র। ওড়িশার কোরাপুট ও সংলগ্ন এলাকা থেকে বিএসএফ (BSF) এবং ছত্তিশগড় থেকে বেশ কিছু সিআরপিএফ ব্যাটালিয়ন সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বদলে স্থানীয় নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে ছত্তিশগড়ের ডিআরজি (DRG) এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পুলিশ।

উন্নয়নের ব্লু-প্রিন্ট 

সংঘাতের আবহ কাটিয়ে এই পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলিতে একগুচ্ছ নতুন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা করতে চলেছে মোদী সরকার। একসময় দেশের ৭৬টি জেলা মাওবাদী উপদ্রুত থাকলেও, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৭-এ। ছত্তিশগড়ের পাঁচটি (বিজাপুর, নারায়ণপুর, সুকমা, কাঙ্কের ও দান্তেওয়াড়া), ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম এবং ওড়িশার কান্ধামাল জেলাতেই এখন মূল মাওবাদী প্রভাব সীমাবদ্ধ।

Advertisement

ল্যান্ডমাইন মুক্ত করার চ্যালেঞ্জ

বন্দুকযুদ্ধ থামলেও জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের বিছানো আইইডি (IED) বা ল্যান্ডমাইনগুলি আতঙ্কের। তাই এপ্রিল মাস থেকেই এনএসজি (NSG) এবং সিআরপিএফ-এর বোম্ব স্কোয়াড গোটা এলাকাকে 'স্যানিটাইজ' বা ল্যান্ডমাইন-মুক্ত করার কাজ শুরু করবে।

POST A COMMENT
Advertisement