Monsoon Withdrawal Rain: বিদায়বেলায় বর্ষার মরণকামড়, স্যাটেলাইট থেকে এল বৃষ্টির লেটেস্ট আপডেট

ভারতের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বর্ষার শেষবারের মতো বৃষ্টি হতে পারে সেপ্টেম্বরে। বিদায় আসন্ন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর। শেষলগ্নের বৃষ্টিতে লাভ হতে পারে কৃষিকাজে।

Advertisement
বিদায়বেলায় বর্ষার মরণকামড়, স্যাটেলাইট থেকে এল বৃষ্টির লেটেস্ট আপডেটবর্ষার পূর্বাভাস।
হাইলাইটস
  • সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে দুর্বল হয়ে পড়া মৌসুমি বায়ু সক্রিয়।
  • ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা।

বিদায়ের আগে শেষ দফার দাপট বর্ষার। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ফিরে যাওয়ার আগে শেষ কামড় দিতে তৈরি। আরও এক দফা সক্রিয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনা। আবহাওয়া মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসের একটা নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত দেশের মধ্য, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিমের বিস্তীর্ণ অংশে ফের বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া মডেলগুলি বলছে, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে দুর্বল হয়ে পড়া মৌসুমি বায়ু সাময়িকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা জোরালো। ভারতের INSAT-3DS উপগ্রহের সাম্প্রতিক ছবি বলছে, দেশের বিস্তীর্ণ অংশে মেঘ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম ভারতে আকাশ অনেকটাই পরিষ্কার। তবে পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বেশ কিছু এলাকায় এখনও সক্রিয় রয়েছে বজ্রগর্ভ মেঘ। 

কত তারিখ পর্যন্ত বর্ষার বৃষ্টি?

২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস। চার মাসের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর মরসুম জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে। ফলে সেপ্টেম্বরের শেষভাগে পৌঁছে এই বৃষ্টির দফা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

পুজোয় কি বৃষ্টি?

তবে শেষ দফার এই বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিলেও সামগ্রিক ভাবে মৌসুমি বায়ু ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্ষা বিদায় নেওয়ার আগে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ফের শক্তিশালী হয়ে ওঠার তেমন কোনও ইঙ্গিত এখনও নেই। অন্তত এখনও পর্যন্ত এমনটাই পূর্বাভাস। ফলে দুর্গাপুজোয় বর্ষার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম।  

আবহাওয়া মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য বৃষ্টির পর মৌসুমি বায়ুর প্রত্যাহার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারত থেকে বর্ষা বিদায়ের গতি বাড়ার সম্ভাবনা। সাধারণত উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রত্যাহার শুরু হয়। এর পর ধীরে ধীরে দেশের দক্ষিণ এবং পূর্ব দিকে এগোয় সেই প্রক্রিয়া।

সেপ্টেম্বরের বৃষ্টি কেন দরকার?

কৃষিক্ষেত্রেও এই বৃষ্টির সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেপ্টেম্বরের বৃষ্টি মাটিতে আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং ফসলে জল জোগাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে এ র বর্ষা অনিয়মিত হওয়ায় বৃষ্টিনির্ভর কৃষি অঞ্চলে সেপ্টেম্বরের বৃষ্টির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেপ্টেম্বরেও যদি বৃষ্টির ঘাটতি থাকে, তাহলে কৃষি উৎপাদনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

Advertisement

এবার দেশে বৃষ্টির ঘাটতি

তবে বিদায়বেলায় ভারী বৃষ্টি ২০২৬ সালের সামগ্রিক বর্ষার ছবিতে বড় কোনও পরিবর্তন আনবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই মুহূর্তে দেশে বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ১৪ শতাংশ। এবার কোথাও অতিবৃষ্টি হয়েছে, কোথাও আবার নগণ্য। তার ফলে ঘাটতি তৈরি হয়েছে দেশে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরও  সামগ্রিক বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে। এরই মধ্যে শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনো-ও মৌসুমি বায়ুর দুর্বল হয়ে পড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে উঠেছে।

 

TAGS:
POST A COMMENT
Advertisement