বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মসজিদ, সরকারি জমি দখল ইস্যুতে উত্তাল সম্ভল

জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সম্ভল জেলায় মুস্তফা কাদরি মসজিদে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করল উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, মসজিদটি সরকারি জমির ওপর নির্মিত, যদিও মসজিদ কমিটি এই অভিযোগ খারিজ করে আদালতের মাধ্যমে পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

Advertisement
বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মসজিদ, সরকারি জমি দখল ইস্যুতে উত্তাল সম্ভল
হাইলাইটস
  • জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সম্ভল জেলায় মুস্তফা কাদরি মসজিদে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করল উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন।
  • প্রশাসনের দাবি, মসজিদটি সরকারি জমির ওপর নির্মিত, যদিও মসজিদ কমিটি এই অভিযোগ খারিজ করে আদালতের মাধ্যমে পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সম্ভল জেলায় মুস্তফা কাদরি মসজিদে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করল উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, মসজিদটি সরকারি জমির ওপর নির্মিত, যদিও মসজিদ কমিটি এই অভিযোগ খারিজ করে আদালতের মাধ্যমে পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

শনিবার ১২০ বর্গমিটার জমির ওপর থাকা ওই মসজিদ ভাঙার জন্য একাধিক বুলডোজার ব্যবহার করা হয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল বিপুল পুলিশ ও রাজস্ব দফতরের কর্মীরা।

প্রশাসনের দাবি, জানুয়ারিতে হওয়া একটি রাজস্ব জরিপে দেখা যায় জমিটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে নথিভুক্ত। পরবর্তী তদন্তে আরও অভিযোগ ওঠে যে, সরকারি মালিকানার নথি থাকা সত্ত্বেও মসজিদটিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সরকারি নথি উপস্থাপন করা হয়নি।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে মসজিদ কমিটির সাতজন সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। পরে তহসিলদারের আদালত ২১ এপ্রিল উচ্ছেদ আদেশ দেয় এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকায় উত্তরপ্রদেশ রাজস্ব আইনের ৬৭ ধারা অনুযায়ী ভাঙার কাজ শুরু হয়। তহসিলদার ধীরেন্দ্র কুমার ও নাইব তহসিলদার দীপক জুরাইলের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়, উপস্থিত ছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অঙ্কিত খান্ডেলওয়াল ও পুলিশ সুপার কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই।

প্রশাসনের দাবি, রাজ্যে ‘ল্যান্ড ব্যাংক’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকারি জমি দখলমুক্ত করার কাজ চলছে এবং ইতিমধ্যে বহু জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তবে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি বহু পুরনো ধর্মীয় স্থাপনা এবং প্রশাসনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। স্থানীয়দের বক্তব্য, প্রায় ৫০০-৬০০ বছরের পুরনো এই স্থাপনা ঐতিহ্যের অংশ।

 

POST A COMMENT
Advertisement