ব্যাঙ্কগুলিকে কী নির্দেশ? গত সপ্তাহে দেশজুড়ে পেট্রোল, ডিজেল ও সিএনজির দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে PM মোদী জ্বালানির ব্যবহার যতটা সম্ভব কমানোর আবেদন করেছেন। এখন অর্থ মন্ত্রক ব্যাঙ্ক, বীমা সংস্থা ও আর্থিক সংস্থাগুলিকে ব্যয় সঙ্কোচনের আবেদন করেছে।
রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, সরকারি আদেশে ব্যয় সঙ্কোচনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ কমানো, বৈঠকের জন্য ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ব্যবহার বাড়ানো এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জারি করা এই আদেশ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, LICI-এর মতো বড় বড় সংস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
বিদেশ ভ্রমণ কমানো
সরকার ব্যায় সঙ্কোচনের জন্য যে সব পরামর্শ দিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বিদেশ ভ্রমণ কমানো। জানানো হয়েছে, সশরীরে উপস্থিত না থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই কাজকর্ম পরিচালনার উপর জোর দিতে হবে। বিদেশ ভ্রমণ কমাতে হবে। যতদূর সম্ভব বিদেশি অনুষ্ঠানগুলিতে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করতে হবে।
বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার
সরকারের তরফে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সরকার। নির্দশে বলা হয়েছে, সংস্থাগুলিকে যত বেশি সম্ভব ভাড়া করা পেট্রোল এবং ডিজেল চালিত যানবাহনকে বৈদ্যুতিক যানবাহনে রূপান্তর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। তাহলে জ্বালানির খরচ কমবে।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর আবেদন
প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির সময় গৃহীত পদক্ষেপগুলির মতোই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কর্মকর্তা ও নাগরিকদের বাড়ি থেকে কাজ, অনলাইন মিটিং এবং ভিডিও কনফারেন্সিং পুনরায় শুরু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। তারপরই এই পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন যে, অপরিশোধিত তেলের ক্রমবর্ধমান মূল্য এবং বৈশ্বিক অস্থিরতা ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্বের তেল ও গ্যাসের চাহিদার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এবং এর আশেপাশের প্রতিবন্ধকতা, তেল আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারতের মতো দেশগুলোর জন্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মেট্রো সংযোগযুক্ত শহরগুলির বাসিন্দাদের গণপরিবহন ব্যবহার করতে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানোর আহ্বানও জানিয়েছেন।