Kailash Mansarovar Yatra Route Controversy: কৈলাস যাত্রার পথে নেপাল ‘কাঁটা’, লিপুলেখ নিয়ে ভারতকে প্রতিবাদপত্র চিঠি বালেন শাহরKailash Mansarovar Yatra Route Controversy: ভারত ও চিনের মধ্যে চলা কৈলাস মানসরোবর যাত্রার রুট নিয়ে এবার কার্যত রণংদেহি মেজাজে নেপাল। লিপুলেখ পাস বা গিরিপথ দিয়ে তীর্থযাত্রী চলাচলের বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে ভারত ও চিন, উভয় দেশকেই ‘ডিপ্লোম্যাটিক প্রোটেস্ট নোট’ বা কূটনৈতিক প্রতিবাদী পত্র পাঠাল নেপালের বালেন শাহ সরকার। কাঠমান্ডুর স্পষ্ট দাবি, লিপুলেখ অঞ্চলটি নেপালের ভূখণ্ডের অন্তর্গত। সেখানে তাদের অনুমতি ছাড়া কোনও তৃতীয় পক্ষের গতিবিধি তারা মেনে নেবে না।
বিবাদের উৎস
বিবাদের মূলে রয়েছে লিপুলেখ গিরিপথ, যা ভারত, নেপাল ও চিন সীমান্তের সংযোগস্থলে অবস্থিত। নেপাল সরকার বরাবরই দাবি করে আসছে যে লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরা তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু তীর্থযাত্রার সুবিধার্থে ভারত ও চীন সম্প্রতি ওই গিরিপথ ব্যবহারের বিষয়ে একমত হয়। প্রতিবেশী দুই দেশের এই সমঝোতাকেই নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মনে করছে নেপাল। সেই কারণেই তড়িঘড়ি এই কড়া প্রতিবাদী চিঠি পাঠানো হয়েছে।
যাত্রায় অনিশ্চয়তার মেঘ
কৈলাস মানসরোবর যাত্রার জন্য লিপিলেখ রুটটি তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও সুবিধাজনক। ভারত এই পথটি সংস্কারের কাজও এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু নেপালের এই আচমকা আপত্তিতে যাত্রার পথে নতুন করে কূটনৈতিক জট তৈরি হলো। কাঠমান্ডু সরকার জানিয়ে দিয়েছে, তাদের দাবিকে গুরুত্ব না দিয়ে ওই অঞ্চলে কোনো পরিকাঠামো বা জনবসতি বাড়ানো চলবে না।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন:
বালেন শাহ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সীমান্ত ইস্যুতে নেপালের অবস্থান আরও কড়া হয়েছে। এই প্রতিবাদী পত্রের মাধ্যমে কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের অধিকারের কথা আরও একবার জানান দিতে চাইল। দিল্লি এবং বেজিং এই প্রোটেস্ট নোটের জবাবে এখন কী পদক্ষেপ করে, তার ওপরেই নির্ভর করছে আগামী দিনে কৈলাস যাত্রার ভবিষ্যৎ।