কার গাফিলতিতে মৃত্যু রাহুলের? এ বার সোজা হস্তক্ষেপ করল মোদী সরকার

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এবার সরাসরি হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। সর্বভারতীয় চলচ্চিত্র কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ওড়িশা সরকারের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
কার গাফিলতিতে মৃত্যু রাহুলের? এ বার সোজা হস্তক্ষেপ করল মোদী সরকাররাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এবার সরাসরি হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর।
  • সর্বভারতীয় চলচ্চিত্র কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ওড়িশা সরকারের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এবার সরাসরি হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। সর্বভারতীয় চলচ্চিত্র কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ওড়িশা সরকারের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত অভিযোগ করেছেন, ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন একাধিক নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন এবং চরম গাফিলতির জেরেই প্রাণ হারান রাহুল। অভিযোগপত্রে এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও আর্জি জানানো হয়েছে।

 

সংগঠনের অভিযোগে প্রযোজক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্ট মোশন পিকচার্স, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও তোলা হয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, শুটিং সেটে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে মানা হলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশের পর বিষয়টি ওড়িশা সরকারের মাধ্যমে বালেশ্বর জেলার পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বভারতীয় চলচ্চিত্র কর্মী সংগঠনের দাবি, এই ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভবিষ্যতেও শুটিং সেটে নিরাপত্তা বিধি উপেক্ষার প্রবণতা বাড়বে। শিল্পী, কলাকুশলী, প্রযুক্তিকর্মী কিংবা জুনিয়র আর্টিস্ট, কারও জীবনই অবহেলার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে না বলে সংগঠনের মত।

তাঁদের আরও দাবি, প্রযোজক, প্রযোজনা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের ভূমিকা খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে। প্রয়োজন হলে তাঁদের বিরুদ্ধে খুন-সহ প্রযোজ্য ফৌজদারি ধারায় মামলা রুজু করার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে ব্ল্যাকলিস্টেড করে ভবিষ্যতে কোনও প্রযোজনার কাজের অনুমতি না দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে।

সংগঠনের বক্তব্য, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ন্যায়বিচার আর বিলম্বিত হওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যতে শুটিং সেটে নিরাপত্তাহীনতার কারণে আর কোনও শিল্পী বা কর্মীর প্রাণহানি যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement