নিক্কি যাদব।নিক্কি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সাহিল গেহলটের বাবা বীরেন্দ্র গেহলটকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ২৫ বছর আগেও খুনের মামলায় জেলে গিয়েছেন বীরেন্দ্র গেহলট। ১৯৯৭ সালে বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ ওঠে। এর পর বীরেন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়। বীরেন্দ্র গেহলট পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ১৯৯৭ সালে গ্রামে পারস্পরিক বিবাদে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয় এক ব্যক্তিকে। মামলায় বীরেন্দ্রকে অভিযুক্ত করা হয়। বীরেন্দ্র জেলেও যান। নিম্ন আদালতে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন বীরেন্দ্র। তারপর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন বীরেন্দ্র। তারপর হাইকোর্ট বীরেন্দ্রকে মুক্তি দেয়।
নিক্কি হত্যা মামলা
দিল্লির কাছে মিত্রান গ্রামের একটি ধাবার রেফ্রিজারেটর থেকে নিক্কি যাদবের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিকির স্বামী সাহিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিকি এবং সাহিল একে অপরকে ২০১৮ সাল থেকে চিনতেন। তারা দুজনেই তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে লুকিয়ে ২০২০ সালে আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন। সাহিলের পরিবারের সদস্যরা নিক্কিকে ছেড়ে অন্য মেয়েকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিয়ে ঠিক হয় সাহিলের। নিকি বিষয়টি জানতে পারলে সাহিলের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়।
আটক সাহিল-সহ ৬ জন
সাহিল নিক্কিকে গাড়িতে তুলে গলায় ডেটা কেবলের তার পেঁচিয়ে খুন করে। এরপর ধাবায় লাশ লুকিয়ে রাখা হয়। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সাহিল বলেছিল, সে একাই এসব করেছে। তবে এখন এই ঘটনায় সাহিলের বাবা বীরেন্দ্র সিং, দুই তুতো ভাই আশিস ও নবীন ছাড়াও দুই বন্ধু অমর ও লোকেশকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নবীন তার পিসির ছেলে, যিনি দিল্লি পুলিশের একজন কনস্টেবল। হত্যাকাণ্ডের আগে তাদের সবার বৈঠক হয়েছিল।
আরও পড়ুন-নিক্কি খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য, দেহ লোপাটে সামিল দিল্লি পুলিশের এক কনস্টেবলও