ইথানল ব্লেন্ডিং নিয়ে গডকড়িইথানল ব্লেন্ডিং নীতি নিয়ে নিতিন গডকড়িক বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের যে অভিযোগ উঠছে। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর । তিনি জানান,'সরকারের ইথানল নীতি আসার বহু আগে থেকেই আমার পরিবার চিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইথানল উৎপাদনে আমার অংশ মাত্র ০.০৭ শতাংশ। এতটুকু অংশীদারিত্ব নিয়ে কেউ বিপুল আর্থিক লাভ করতে পারে না'।
E20 পেট্রোল গাড়ি বিকল করে দিচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। তা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর দাবি, E20 জ্বালানির কারণে কোনও পেট্রোল চালিত গাড়ির ক্ষতি হয়েছে, এমনটা আজ পর্যন্ত কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। কারও কাছে পোক্ত প্রমাণ থাকলে, প্রকাশ্যে আনা উচিত।
সরকারি নীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি বোঝাতে গড়কড়ি বলেন,'ইথানল ব্লেন্ডিংয়ের এই সিদ্ধান্ত কোনও ব্যক্তির একক ইচ্ছায় নেওয়া হয়নি। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনও মন্ত্রীর মর্জিমাফিক সিদ্ধান্ত নয়'।
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রসারে সরকার দীর্ঘদিন ধরে যে কাজ করছে, এই পরিকল্পনা তারই একটি অংশ বলে মনে করিয়ে দেন গডক়ি। এর পাশাপাশি সরকারের উদ্দেশ্যও এক এক করে জানান। তাঁর কথায়,'প্রথমত, এর ফলে পেট্রোলের ওপর দেশের নির্ভরশীলতা কমবে। দ্বিতীয়ত,দূষণও অনেকটাই কমবে। আর এর সরাসরি সুবিধা পাবেন কৃষকরা, যাঁরা আখ বা এই জাতীয় ফসল থেকে আগের চেয়ে অনেক বেশি আয় করতে পারবেন।
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন গড়কড়ি। বলেন,'কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে ইথানল নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আসল ইস্যু থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই এই চেষ্টা'।
ই২০ পেট্রোল নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়,'ইথানল মিশ্রিত জ্বালানির কারণে গাড়ি বিকল হলে ডিলারের পাশাপাশি সরাসরি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকেও অভিযোগ জানাতে পারেন। প্রতিটি অভিযোগের তদন্ত করা হবে। যদি প্রমাণিত হয় যে ক্ষতি সত্যিই E20 জ্বালানির কারণে হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এমন অন্তত দু’জন মানুষের নাম কি কেউ বলতে পারবেন, যাঁদের পেট্রোল গাড়ি শুধুমাত্র ইথানলের কারণে বিকল হয়ে গিয়েছে?'