ISRO Privatisation: এবার Isro বিক্রি হয়ে যাচ্ছে? মুখ খুলল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা

বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে ইসরোকে? বেসরকারি সংস্থা কিনে নিচ্ছে ইসরোকে? এবার এই সংস্থার কী হবে? এবার বিষয়গুলি নিয়ে মুখ খুলেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। আসুন তাদের বক্তব্য জেনে নেওয়া যাক।

Advertisement
এবার Isro বিক্রি হয়ে যাচ্ছে? মুখ খুলল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাইসরো কি বিক্রি করা হবে?
হাইলাইটস
  • বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে ইসরোকে?
  • বেসরকারি সংস্থা কিনে নিচ্ছে ইসরোকে?
  • এবার এই সংস্থার কী হবে?

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো কি এবার বেসরকারি হাতে চলে যাচ্ছে? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। আর বিষয়টা নিয়ে এবার মুখ খুলেছে ইসরো নিজে। তারা জানিয়েছে, মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে দেশের এই শীর্ষ মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে। এমনকী ইসরোর গুরুত্বও কমবে না বলে দাবি করা হয়েছে।

কী বলছে ইসরো? 
ইসরো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সংস্থার বেসরকারিকরণ করা হবে না। এর গুরুত্বও কমানো হবে না।

তাই যাঁরা ভাবছিলেন যে ইসরোকে এবার বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে, এই সংস্থাকে বিক্রি করে দেওয়া হবে, তাঁরা এবার শান্ত হন। এমনটা হচ্ছে না।


কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ
আসলে মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলি ভূমিকা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। আর এই প্ল্যানিং নিয়েই ইসরোর কর্মীদের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উৎক্ষেপণযান, উপগ্রহ এবং অন্যান্য প্রযুক্তি তৈরিতে বেসরকারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্ল্যানিং নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

যদিও ইসরো জানিয়েছে, মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির উন্নতিতে তারাই ভারতের প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে।

সংস্থার দাবি, মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে ইসরোর ভূমিকা কমানো হবে। 

প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকে ভারতের স্পেস পলিসিতে সংস্কার শুরু হয়েছে। আর ২০২৩ সালের ইন্ডিয়ান স্পেস পলিসির মাধ্যমে এই ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগও ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হচ্ছে। নতুন এই নীতির টার্গেট হল বড় এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক একটি মহাকাশ পরিকাঠামো তৈরি করা।

নতুন কাঠামোর অধীনে বেসরকারি শিল্প, স্টার্টআপ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে মহাকাশ ক্ষেত্রের বিভিন্ন জায়গায় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে ইসরোর ক্ষমতা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ইসরোর মতে, এই সংস্কার কোনওভাবেই বেসরকারিকরণ নয়। বরং এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক মহাকাশ গবেষণার পরিসর আরও বাড়ানো হচ্ছে।

Advertisement


ইসরো জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই একাধিক প্রযুক্তি শিল্পক্ষেত্রের কাছে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও টেকনোলজি তুলে দেওয়ার মানেই এটা নয় যে ইসরো সেই কাজ থেকে সরে এসেছে। 

সংস্থাটির দাবি, ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণায় ইসরোর ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে। আগামিদিনে গবেষণা ও প্রযুক্তির উন্নয়ন, মহাকাশ মানুষ পাঠানো, পরবর্তী প্রজন্মের উৎক্ষেপণযান তৈরির মতো অত্যাধুনিক কাজে এগিয়ে যেতে সুবিধা হবে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেভিগেশন, সেন্সর এবং প্রপালশন সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি তৈরির কাজও ইসরো চালিয়ে যাবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement