ভক্তের ভক্তি, মন্দিরে ৫৬ লক্ষ টাকার স্বর্ণ পাদুকা দান

আষাঢ়ি যাত্রা চলাকালীন রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্ত দর্শনের জন্য শ্রী বিঠ্ঠল রুক্মিণী মন্দিরে আসছেন। যার ফলে মন্দির প্রাঙ্গণে এক ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। এই সময়ে মন্দির কমিটি নগদ অনুদানের পাশাপাশি সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর আকারেও বিপুল পরিমাণে অনুদান পাচ্ছে।

Advertisement
ভক্তের ভক্তি, মন্দিরে ৫৬ লক্ষ টাকার স্বর্ণ পাদুকা দান৫৬ লক্ষ টাকার পাদুকা

মহারাষ্ট্রের পন্ধরপুরে আষাঢ়ি যাত্রা চলাকালীন এক ভক্তের কাণ্ড দেখে মাথা ঘুরে যাবে। শ্রী বিঠ্ঠল-রুক্মিণী মন্দিরে ৪৪৬ গ্রাম সোনার পাদুকা দান করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দাতা। তিনি নিজের পরিচয় গোপন রাখতে চেয়েছেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে তাঁর নাম গোপন রেখেছে।

আষাঢ়ি যাত্রা চলাকালীন রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্ত দর্শনের জন্য শ্রী বিঠ্ঠল রুক্মিণী মন্দিরে আসছেন। যার ফলে মন্দির প্রাঙ্গণে এক ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। এই সময়ে মন্দির কমিটি নগদ অনুদানের পাশাপাশি সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর আকারেও বিপুল পরিমাণে অনুদান পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, একজন দাতা তাঁর নাম গোপন রাখার শর্তে সোনার পাদুকা দান করেছেন। এই পাদুকাগুলির ওজন ৪৪৬ গ্রাম এবং এগুলির আনুমানিক মূল্য ৫৬,৫৯,০০০ টাকা।

শুধু তাই নয়, শ্রী বিঠ্ঠল রুক্মিণী মন্দিরে যে পরিমাণ সোনা ও রুপোর সামগ্রী দান পড়ে তার জন্য একটি পৃথক 'দান কক্ষ' তৈরি করা হয়েছে। দান করা মূল্যবান সামগ্রী পরীক্ষা, বিশুদ্ধতা যাচাই, ওজন, রেজিস্ট্রেশন এবং নিরাপদে গ্রহণ করার জন্য দু'জন স্বর্ণকার ও অভিজ্ঞ কর্মী নিযুক্ত করা হয়েছে।

মন্দির কমিটির ম্যানেজার প্রবিনকুমার ঘাম আবেদন করেছেন ভক্তরা মন্দির কমিটিকে মূল্যবান সোনা ও রুপো সামগ্রী দান করতে চাইলে তারা মন্দির কমিটির অফিসে যোগাযোগ করতে। একটি সরকারি রসিদ সহ দান করার অনুরোধ করেন। প্রতি বছর আষাঢ়ি যাত্রার সময় পন্ধরপুরে কোটি কোটি টাকার নগদ অর্থ এবং মূল্যবান সামগ্রী দান করা হয়। কিন্তু এবার ৫৬.৫৯ লক্ষ টাকা মূল্যের ৪৪৬ গ্রাম ওজনের সোনার পাদুকা দানে ভক্তদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
 

POST A COMMENT
Advertisement