Lok Sabha Seat Change: পিছনে পাঠানো হল অভিষেককে, তাঁর আসনে সুদীপ, লোকসভায় বদলে গেল কল্যাণ-মহুয়ার সিটও

লোকসভায় কোন সাংসদ কার পাশে বসবেন, তা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্টে বেশ কিছু বদল এনেছেন তিনি। বদলে দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের আসনও। এবার কার কার আসন বদলে গেল?

Advertisement
পিছনে পাঠানো হল অভিষেককে, তাঁর আসনে সুদীপ, লোকসভায় বদলে গেল কল্যাণ-মহুয়ার সিটওলোকসভা সিট পরিবর্তন
হাইলাইটস
  • লোকসভায় আসন বদল একাধিক সাংসদের
  • সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্টে বেশ কিছু বদল
  • বদলে দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের আসনও

শুরু হল সংসদের বাদল অধিবেশন। আর শুরুতেই লোকসভায় কোন সাংসদ কার পাশে বসবেন, তা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্টে বেশ কিছু বদল এনেছেন তিনি। 

তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী সাংসদদের জন্য আলাদা বসার বন্দোবস্ত করেছেন ওম বিড়লা। ফলত না চাইতেও লোকসভায় আরও বেশ কয়েকজন সাংসদেরও আসন পরিবর্তন হয়েছে। সোমবার থেকেই নিজেদের নতুন আসনে বসতে হয়েছে মোট ৩৯ সাংসদকে। 

সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকসভা সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদকে, যাঁরা বর্তমানে NCPI-তে যোগ দিয়েছেন, আলাদা জায়গা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মোট ৩৯ জন সাংসদের আসন পরিবর্তন হয়েছে। সচিবালয় জানিয়েছে, ২০ জনকে আলাদা আসন দিতে গিয়ে মোট ৩৯ জনের জায়গা চেঞ্জ করতে হয়েছে। 

বদলে গিয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসনও
আসন পরিবর্তনের ফলে অনেক নেতাকেই নিজের জায়াগা ছেড়ে উঠে যেতে হয়েছে। লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসনও বদলে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে প্রথমসারি থেকে সরিয়ে দ্বিতীয় সারির আসন দেওয়া হয়েছে। এখন লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৮। সেই কারণেই দ্বিতীয় সারিতে বসার আসন দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এছাড়াও YSRCP-র পিভি মিথুন রেড্ডি এবং শিরোমণি আকালি দলের হরসিমরত কউর বাদলকেও নতুন আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসনও পরিবর্তন করা হয়েছে। ২৮০ নম্বর সিটের বদলে তিনি এবার থেকে ৩৫৪ নম্বর সিটে বসবেন। ওই আসনে এতদিন বসতেন অভিষেক। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের আসনেও পরিবর্তন হয়েছে। তিনি ২৮১ নম্বর আসনে বসতেন, সেখানে এবার থেকে বসবেন অভিষেক। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রর আসন ২৮৯ থেকে বদলে হয়েছে ৩১১। সাংসদ সৌগত রায়ের নতুন আসন নম্বর ৩০২, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৩০৩। আবার কাকলি ঘোষ দস্তিদারের আসন ২৮৫ থেকে পরিবর্তিত হয়ে হয়েছে ২৭৯। প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২৮৪, শতাব্দী রায়ের ২৮৩, মালা রায়ের ২৯৩, সায়নী ঘোষের ৩০৬, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৩০৭, মিতালি বাগের ৩১৫, জুন মালিয়ার ৩১৬, সাজদা আহমেদের ৩১৯, প্রতিমা মণ্ডলের ৩২০, বাপি হালদারের ৩২৪, অরূপ চক্রবর্তীর ৩২৫, ইউসুফ পাঠানের ৩২৬, আব্দুল রশিদ শেখের ৩২৭, শর্মিলা সরকারের ৩৩৫, পার্থ ভৌমিকের ৩৩৬। 

Advertisement

কী এই আসন বিভাগ সংখ্যা?
লোকসভা এবং রাজ্যসভায় প্রত্যেক সাংসদকে একটি বিভাগ নম্বর দেওয়া হয়। এই নম্বরটিই সংসদে তাঁদের আসন নির্ধারণ করে। বিলের উপর ভোটদান এবং নথিপত্রে স্বাক্ষর করা সহ সংসদীয় বিভিন্ন কাজের জন্যও এই নম্বরটি ব্যবহৃত হয়। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বাদল অধিবেশনে ৩৯ জন সাংসদ তাঁদের নতুন বিভাগ নম্বর ও আসন পেয়েছেন। 

গত শনিবার স্পিকার ওম বিড়লা ২টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। প্রথমত, শিবসেনা (UBT) দলের ৬ জন সাংসদের একনাথ শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে মার্জ হওয়া এবং দ্বিতীয়ত ২০ জন বিদ্রোহী TMC সাংসদকে আলাদা ভাবে বসার অনুমতি।

 

POST A COMMENT
Advertisement