ফয়জল খানকে গ্রেফতার করা যাবে নাঅবশেষে স্বস্তি পেলেন খান স্যার। ফয়জল খানকে অন্তবর্তী রক্ষাকবচ দিল পটনা জেলা আদালত। কোচিং বিবাদ এবং গুলি চালনোর মামলায় অভিযুক্ত 'খান স্যার' বা ফয়জল খানের অগ্রিম জামিন আবেদন শোনেন জেলা এবং দায়রা আদালতের বিচারক। আর সেখানেই বিচারক তাঁকে আইনি সুরক্ষা দিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক বা কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে।
শুনানি চলাকালীল খান স্যারের আইনজীবী আদালতকে জানান যে, এই মামলায় ফয়জল খানের কোনও প্রত্যক্ষ অপরাধমূলক যোগ নেই। তাঁকে ভুলভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যদিও নিজের বক্তব্য তুলে ধরে পুলিশও। তারা নিজেদের তদন্তের রিপোর্ট এবং এফআইআর তুলে ঘরে।
এই সময় কোর্ট দুই পক্ষের কথাই শোনে। তারপরই নিজের রায় ঘোষণা করে। বিচারক খান স্যারকে অন্তবর্তী সুরক্ষা দেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসন যাতে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না গ্রহণ করতে পারে, সেই নির্দেশও দেন। পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত এই স্বস্তি পেলেন ফয়জল খান। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না।
এই প্রসঙ্গে বলি, পটনায় কোচিং সেন্টারে গুলি চালানোর ঘটনা সামনে আসার পরই ফয়জল খানকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। একটি ভাইরাল ভিডিওকে সামনে রেখেই কাদামকৌন পুলিশ স্টেশনে এফআইআর হয়। পুলিশের দাবি, যেই দুই নিরাপত্তরক্ষী গুলি চালিয়েছিলেন, তাঁরা এখন হেফাজতে রয়েছেন।
এই ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ঘটনার কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠায় কোর্ট। পাশাপাশি তদন্তের নানা তথ্যও চাওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে অবশ্য অন্তবর্তী সুরক্ষা দেওয়া হল খান স্যারকে। পরবর্তী শুনানির মাঝে তদন্তের রিপোর্ট ভাল করে খতিয়ে দেখা হবে। ততদিন তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল আদালত।
পটনা থেকে ফেরার খান স্যান
এই বিতর্ক শুরুর পর থেকেই বেপাত্তা খান স্যার। অনেকেই মনে করছেন, পুলিশের ভয়েই তিনি ফেরার হয়েছেন। ইতিমধ্যেই পুলিশ পটনা এবং তার আশপাশের একাধিক জেলায় খান স্যারের খোঁজে তল্লাশি চালিয়েছে। এই তথ্য দিয়েছেন পটনার এসএসপি কার্তিক শর্মা।
মাথায় রাখতে হবে, ৬ জুন পটনা সিভিল কোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেন ফয়জল খান। সেই আবেদন রেজিস্টার হয় ৮ জুন। আর জুন তাঁকে অন্তবর্তী জামিন দিল কোর্ট।