COVID in India: ভিড়ে মাস্ক পরা আবশ্যিক বলেছে কেন্দ্র? সত্যিটা জানুন

আসন্ন বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষ। এই দু’দিন উদ্দাম জনস্রোত কোভিডবিধি মানবে না, এটা এক প্রকার ধরে নিয়েই এগোতে চাইছে কেন্দ্র। এখনই বছর শেষের পার্টি কিংবা বিচিত্রানুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা জারি না হলেও সাবধানে পা ফেলতে চাইছে সরকার। চিনে ফের কোভিড বিস্ফোরণ ঘটেছে। ভারতে এই পর্যন্ত ১৬৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার সবাইকে মাস্ক পরা ও কোভিড বিধি মানার পরামর্শ দিয়েছে। তবে এখনই মাস্ক বা বিধি বাধ্যতামূলক করেনি।

Advertisement
ভিড়ে মাস্ক পরা আবশ্যিক বলেছে কেন্দ্র? সত্যিটা জানুনভারতের করোনা পরিস্থিতি
হাইলাইটস
  • আসন্ন বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষ।
  • এই দু’দিন উদ্দাম জনস্রোত কোভিডবিধি মানবে না, এটা এক প্রকার ধরে নিয়েই এগোতে চাইছে কেন্দ্র।

আসন্ন বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষ। এই দু’দিন উদ্দাম জনস্রোত কোভিডবিধি মানবে না, এটা এক প্রকার ধরে নিয়েই এগোতে চাইছে কেন্দ্র। এখনই বছর শেষের পার্টি কিংবা বিচিত্রানুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা জারি না হলেও সাবধানে পা ফেলতে চাইছে সরকার। চিনে ফের কোভিড বিস্ফোরণ ঘটেছে। ভারতে এই পর্যন্ত ১৬৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার সবাইকে মাস্ক পরা ও কোভিড বিধি মানার পরামর্শ দিয়েছে। তবে এখনই মাস্ক বা বিধি বাধ্যতামূলক করেনি।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য বলছে, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৩টি নতুন করোনভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। সক্রিয় কেস ৩,৩৮০টি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সূত্রে খবর, গত আট মাসে দেশে কোভিড সংক্রমণ  ধারাবাহিকভাবে কমেছে। যেহেতু পরীক্ষা কম, তাই কোভিড পজেটিভের হার ০.১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার পর্যন্ত চারটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং দেশের কোনও রাজ্যে কোনও সক্রিয় কোভিড সংক্রমণের খবর নেই। মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্র কোভিড বৃদ্ধি রোধ করতে সতর্কতামূলক ডোজের উপর জোর দিচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট ২২০ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সতর্কতামূলক ভ্যাকসিনের ডোজ মাত্র ২৭ শতাংশ। যা আশাব্যাঞ্জক নয়।

আরও পড়ুন-COVID পরিস্থিতি-ব্যবস্থা কেমন? সব রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্র

৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের মোট ৬০ শতাংশ মানুষের বুস্টার ডোজ প্রয়োজন। ১৮-৫৯ বয়সের মধ্যে ৭৮ শতাংশ মানুষ এখনও বুস্টার ডোজ নেননি। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কোভিড পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংগৃহীত নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য কেন্দ্রের অনুমোদিত ‘ইনস্যাকোগ’ পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলে জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোভিডের নতুন কোনও ভ্যারিয়েন্ট মিলছে কি না, তার একটা ধারণা পাওয়া যাবে।

আসন্ন বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষ চিন্তায় রাখছে কেন্দ্রকে। দেশের বিভিন্ন শহরে এই দু’দিন উদ্দাম জনস্রোত কোভিডবিধি মানবে না, এটা এক প্রকার ধরে নিয়েই এগোতে চাইছে কেন্দ্র। এখনই বছর শেষের পার্টি কিংবা বিচিত্রানুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা জারি না হলেও সাবধানে পা ফেলতে চাইছে সরকার। অপর দিকে দেশের জনগোষ্ঠীর বড় একটা অংশ বুস্টার ডোজ় নেয়নি। তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র।

Advertisement

আরও পড়ুন-ন্যাজাল ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজে ছাড়পত্র কেন্দ্রের

 

POST A COMMENT
Advertisement