আজ রোজগার মেলায় কত যুবক নিয়োগপত্র পেলেন? মোদীর উদ্যোগে ১২ লাখ চাকরি

সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকা লক্ষ লক্ষ যুবকের জন্য আজ অত্যন্ত বিশেষ দিন। ১৯তম রোজগার মেলায় ৫১,০০০ যুবকের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Advertisement
আজ রোজগার মেলায় কত যুবক নিয়োগপত্র পেলেন? মোদীর উদ্যোগে ১২ লাখ চাকরি শনিবার ৫১ হাজার যুবককে নিয়োগপত্র দিলেন PM মোদী
হাইলাইটস
  • সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকা লক্ষ লক্ষ যুবকের জন্য আজ অত্যন্ত বিশেষ দিন।
  • ৫১,০০০ যুবকের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • এটিকে যুবকদের জন্য একটি বড় উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকা লক্ষ লক্ষ যুবকের জন্য আজ অত্যন্ত বিশেষ দিন। শনিবার ১৯তম রোজগার মেলায় ৫১,০০০ যুবকের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। PM মোদীর এই রোজগার মেলাকে শুধুমাত্র চাকরি বণ্টনের ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং এটিকে যুবকদের জন্য একটি বড় উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। 

দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। এর আগে সরকার দাবি করেছিল, রোজগার মেলাগুলো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ করে তুলেছে। এই কারণেই এখন পর্যন্ত ১৯ বার মিলে প্রায় ১২ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে এই মেলা থেকেই।

এদিন রোজগার মেলা থেকে চাকরি প্রাপকদের উদ্দেশে PM মোদী বলেন, "আজ থেকে আপনারা সকলেই দেশের উন্নয়ন যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠছেন। আপনারা সকলেই নানা ক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন। ভবিষ্যতে, একটি উন্নত ভারত গড়ার সংকল্প পূরণে আপনারা সকলেই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। এই পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য আপনারা নিশ্চয়ই ব্যাপক প্রস্তুতি ও কঠোর পরিশ্রম করেছেন।"

ভারতের তারুণ্যে শক্তি মোদীর মুখে

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "আমি বিশ্বের যেখানেই যাই, ভারতের যুবশক্তির কথা বলি। আমি এক নতুন সংকল্পের কথা বলি। ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ভারত গড়ার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে, দেশ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করছে। এর ফলে যুবকদের জন্য লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ভবিষ্যতে, ১০টি প্রধান ভারতীয় সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পাবে। বিপুল সংখ্যক ভারতীয় যুবক এই প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করবে।"

তরুণদের স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে 

স্বাভাবিকভাবেই এটি যুবকদের জন্য উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। জাহাজ নির্মাণ থেকে শুরু করে জাহাজ মেরামত ও ওভারহলিং পর্যন্ত এই পরিমণ্ডলকে শক্তিশালী করতে ভারত একটি প্রধান ভূমিকা পালন করছে। ভারত একটি প্রধান ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনকারী দেশ। ভারতের সরকারি ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে এই ধরনের অনেক উদ্যোগে বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ করছে। এই বিনিয়োগগুলো দেশের যুবকদের দেশের মধ্যেই কর্মসংস্থান দিচ্ছে, যা তাদের স্বপ্ন পূরণে সক্ষম করে তুলছে। 

Advertisement

তরুণদের জন্য সুযোগ অপেক্ষারত

এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ভারতের তরুণদের সামনে আজ এমন সুযোগ রয়েছে যা আগে কখনও ছিল না। সবকিছুই দ্রুত গতিতে ঘটছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাজারো সুযোগ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আমাদের প্রচেষ্টা হল, যত বেশি সম্ভব তরুণ-তরুণী যেন এই নতুন সুযোগগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারে। তাদের দক্ষতা ও প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ থাকা উচিত। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পরিবর্তনগুলো শুধু বড় শহরগুলিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ছোট গ্রামগুলিতেও পৌঁছে গেছে। এই পরিবর্তনে আমাদের নারীশক্তির ভূমিকাও ক্রমাগত বাড়ছে। আজ বিপুল সংখ্যক নারী-নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপ চালু হচ্ছে। আজ গ্রাম ও ছোট শহরের মহিলারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় নিজেদের স্টার্টআপ শুরু করছেন। "

অন্য একাধিক খাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে

নমো জানান, সরকার শুধু সরকারি চাকরিতেই নয়, বরং দক্ষতা, স্টার্টআপ এবং ডিজিটাল খাতেও যুবকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে ক্রমাগত মনোযোগ দিচ্ছে। জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম বার্ষিক চাকরি মেলায় প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছিলেন, সরকারি নিয়োগকে একটি মিশন মোডে আনার জন্য এই চাকরি মেলা শুরু করা হয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে এটি একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।  


 

 

POST A COMMENT
Advertisement