PM Narendra Modi Somnath Speech: বাংলার বিগত ৫০ বছরের বঞ্চনা দূর করবে বিজেপি, সোমনাথে দাঁড়িয়ে ‘উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের’ বার্তা মোদীর

PM Narendra Modi Somnath Speech: প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলার এবারের বিধানসভা নির্বাচন গোটা বিশ্বের গণমান্য ব্যক্তিদের নজর কেড়েছে। দেশজুড়ে যে তরুণ প্রজন্ম গড়ে উঠছে, তারা কঠোর পরিশ্রম বা পুরুষার্থের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যবদল করতে জানে।

Advertisement
বাংলার বিগত ৫০ বছরের বঞ্চনা দূর করবে বিজেপি, সোমনাথে দাঁড়িয়ে ‘উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের’ বার্তা মোদীরPM Narendra Modi Somnath Speech: বাংলার বিগত ৫০ বছরের বঞ্চনা দূর করবে বিজেপি, সোমনাথে দাঁড়িয়ে ‘উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের’ বার্তা মোদির

PM Narendra Modi Somnath Speech: বাংলার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এখন কেবল দেশের নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতির চর্চার কেন্দ্রে। গত ৫০ বছর ধরে রাজ্যে যে উন্নয়নের ‘গর্ত’ তৈরি হয়েছে, তা ভরাট করে বাংলাকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। সোমবার গুজরাটের সমুদ্রতীরে দাঁড়িয়ে নাম না করে বাংলার শাসকদলকে এমনই কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর মতে, বাংলার যুবসমাজ আজ আর বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত দেখতে চাইছে।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলার এবারের বিধানসভা নির্বাচন গোটা বিশ্বের গণমান্য ব্যক্তিদের নজর কেড়েছে। দেশজুড়ে যে তরুণ প্রজন্ম গড়ে উঠছে, তারা কঠোর পরিশ্রম বা পুরুষার্থের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যবদল করতে জানে। তাই প্রাত্যহিক গালিগালাজ আর নেতিবাচক রাজনীতিকে মানুষ আজ আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলেছে। তাঁর কথায়, "যাঁরা কেবল বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করেন, দেশ তাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছে।" গুজরাটের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক টিমের ওপর আস্থা প্রকাশ করে তিনি আশ্বাস দেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কোনো খামতি রাখা হবে না।

রাজনীতির পাশাপাশি উঠে আসে ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও। সোমনাথ মন্দিরের সেই ১০০০ বছরের ধ্বংস ও বেদনার ইতিহাস আজ দেশবাসীর হৃদয়ে। ঠিক ৭৫ বছর আগে স্বাধীনতার পর যখন রাজেন্দ্র প্রসাদ এই মন্দিরের পুনঃপ্রতিষ্ঠায় এসেছিলেন, তখন তৎকালীন রাজনীতির একাংশ তাঁকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের গুরুত্ব বুঝে তিনি পিছিয়ে আসেননি। সেই ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের ৭৫ বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না।

আগামীকাল সোমবার সোমনাথের এই বিরাট আয়োজনে সেই ধ্রুপদী ভারতের সম্মান রক্ষাই হবে মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে, একদিকে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন আর অন্যদিকে সোমনাথের ‘অমৃত মহোৎসব’, এই দুইয়ের মেলবন্ধনে দেশ এক নতুন সংকল্পের পথে পা বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

 

POST A COMMENT
Advertisement