Physiotherapist Harassment: 'পুরুষাঙ্গে অসুখ', রোগী সেজে ফিজিওথেরাপিস্টকে ভিডিও-ছবি, তারপর...

রোগী সেজে এক মহিলা ফিজিওথেরাপিস্টকে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি পাঠিয়ে মানসিক হেনস্থা। অভিযোগ উঠল এক ১৯ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement
'পুরুষাঙ্গে অসুখ', রোগী সেজে ফিজিওথেরাপিস্টকে ভিডিও-ছবি, তারপর...ফিজিওথেরাপিস্টকে হেনস্থা
হাইলাইটস
  • রোগী সেজে এক মহিলা ফিজিওথেরাপিস্টকে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি পাঠিয়ে মানসিক হেনস্থা
  • ভিযোগ উঠল এক ১৯ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে
  • ইতিমধ্যে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

রোগী সেজে এক মহিলা ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ। তারপর নিজের অশ্লীল ভিডিও ও ছবি পাঠিয়ে মানসিক হেনস্থার অভিযোগ উঠল এক ১৯ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


যতদূর খবর, অভিযুক্ত অশ্লীল ভিডিওগুলি প্রকাশ্যে এনে দেওয়ার হুমকি দেয়। তারপর ওই মহিলা ফিজিওথেরাপিস্ট সুরাট সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ যুবকের খোঁজ শুরু করে। অবশেষে করা হয় গ্রেফতার।

কী জানা যাচ্ছে?
ওই মহিলা ফিজিওথেরাপিস্টের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে রোগী হিসেবে পরিচয় দেয়। সে জানায়, তার ‘প্রাইভেট পার্ট’-এ সমস্যা রয়েছে। সে অনলাইনে ফিজিওথেরাপি নিতে চায় বলে জানায়।

তিনি আরও দাবি করেন, এরপর ওই যুবক ফিজিওথেরাপিস্টকে চাপ দিতে শুরু করে। এমনকী পাঠাতে থাকে নিজের অশ্লীল ভিডিও ও ছবি। এমন পরিস্থিতিতে ফিজিওথেরাপিস্ট চিকিৎসা করতে অস্বীকার করেন। সেই সময় ওই অভিযুক্ত যুবক ভিডিওগুলি প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তাঁকে লাগাতার হেনস্থা করতে থাকে।

এমন সময় চুপ করে থাকেননি ওই মহিলা। তিনি সুরাট সাইবার ক্রাইম শাখায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। তারা চিহ্নিত করে নতুন মুম্বইয়ের ১৯ বছরের তুষারকে। এরপর সুরাট পুলিশের একটি দল নবি মুম্বইয়ে গিয়ে তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সুরাট সাইবার ক্রাইমের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বিশাখা জৈন। তিনি জানান, গুগলে একটি বিজ্ঞাপন থেকে ওই মহিলার ফোন নম্বর পেয়েছিল অভিযুক্ত। দুর্ঘটনার পর ফিজিওথেরাপির চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করে সে ওই মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

জৈনের দাবি, মহিলা ফিজিওথেরাপিস্ট তাকে কোনও পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু অভিযুক্ত তাঁকে নগ্ন ভিডিও ও ছবি পাঠায়। নিজের চিকিৎসা করার জন্য চাপ দিতে থাকে। 

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত নতুন মুম্বইয়ে একাই থাকত। সে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। পুলিশ আরও জানায় পারে, প্রায় দুই-তিন মাস আগে অভিযুক্তের একটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। তার শরীরে একটি ট্যাটু রয়েছে, এটা ধরেই পুলিশ তাকে ধরেছে।

পুলিশের দাবি, তুষার বেকার। তার কোনও চাকরি বা ব্যবসা নেই। বেশিরভাগ সময় ফ্ল্যাটে মদ্যপান করেই কাটিয়েছে সে। 

পুলিশের সন্দেহ, একই কায়দায় আরও কয়েকজন মহিলা চিকিৎসককে টার্গেট করে থাকতে পারে অভিযুক্ত।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement