ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কথা মোদী-জিনপিংয়েরবৃহস্পতিবার ব্রিকস সম্মেলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংকে পাশাপাশি হাঁটতে এবং কথা বলতে দেখা গেছে। ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারত-চিন সীমান্ত এলাকার পশ্চিম সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর অমীমাংসিত সমস্যাগুলি সম্পর্কে শি জিনপিংকে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে বিনয় মোহন কোয়াত্রা বলেন, 'ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং এবং অন্যান্য রাষ্ট্র নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী এলএসি বরাবর অমীমাংসিত সমস্যাগুলির বিষয়ে ভারতের উদ্বেগ তুলে ধরেন।'
২০২০ সালের মে মাসে গালওয়ানে সংঘর্ষের পর এই দুই নেতার মধ্যে এই ধরনের দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক কথোপকথন। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সম্মেলনের সময় দুই নেতার মধ্যে একই রকম মতবিনিময় হয়েছিল। যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদী চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেছিলেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন।
মোদী-জিনপিংয়ের কথোপকথনের খবর বালি শীর্ষ সম্মেলনের আট মাস পরে প্রকাশ করা হয়েছিল। যখন চিনের বিদেশ মন্ত্রক বলেছিল যে শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী মোদী বালিতে চিন-ভারত সম্পর্ক স্থিতিশীল করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।
চিনের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া
মোদী-জিনপিংয়ের কথাবার্তার বিষয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে বলেছে, 'প্রেসিডেন্ট শি জানিয়েছেন যে চিন-ভারতের সম্পর্কের উন্নতি দুই দেশ ও জনগণের সাধারণ স্বার্থে কাজ করবে। বিশ্ব ও অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্যও সহায়ক। উভয় পক্ষেরই তাদের সামগ্রিক স্বার্থের কথা মাথায় রাখা উচিত। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং সীমান্ত সমস্যাটি যথাযথভাবে মেটাতে হবে যাতে যৌথভাবে সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি রক্ষা করা যায়।'