Jagannath Temple Ratna Bhandar: জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কি ছিল কোহিনূর? বড়সড় 'গুপ্তধন রহস্য' ফাঁস

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার খোলা হয়েছে। চলছে গণনা। এর মাঝেই রত্ন ভাণ্ডার নিয়ে কৌতুহল তুঙ্গে। জানেন, কে এই রত্ন ভাণ্ডারের মধ্যে গুপ্তধন রেখেছিলেন? জেনে নিন ইতিহাস।

Advertisement
জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কি ছিল কোহিনূর? বড়সড় 'গুপ্তধন রহস্য' ফাঁসপুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার
হাইলাইটস
  • পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার খোলা হয়েছে
  • জানেন, কে এই রত্ন ভাণ্ডারের মধ্যে গুপ্তধন রেখেছিলেন?
  • এই রত্ন ভাণ্ডারে কি কোহিনূরও ছিল?

আবারও খবরের শিরোনামে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার। বহু বছর পর এই ভাণ্ডারের গণনা এবং এর সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে, প্রায় ৪৮ বছর পর রত্ন ভাণ্ডার কত পরিমাণ সোনা, রুপো এবং মূল্যবান রত্ন রয়েছে তা স্পষ্ট হবে। এই ভাণ্ডার সম্পর্কে মানুষের বরাবরই কৌতুহল রয়েছে। এই রত্ন ভাণ্ডারে কি কোহিনূর হীরেও ছিল? তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। আশা করা হচ্ছে মন্দিরের দীর্ঘদিনের রহস্যময় এই রত্ন ভাণ্ডারের সঞ্চিত সম্পদ সামনে আসবে। 

কে তৈরি করেন পুরীর মন্দির?
কিন্তু আপনি জানেন কি জগন্নাথ মন্দিরে এত সোনা কোথা থেকে এসেছিল এবং কে তা মন্দিরে দান করেছিলেন? ঐতিহাসিকদের মতে, এই মন্দিরের নির্মাণকাজ দ্বাদশ শতাব্দীতে শুরু হয়েছিল। গঙ্গা বংশে রাজা অনন্তবর্মণ দেব এর ভিত্তি স্থাপন করেন এবং পরবর্তীকালে অন্যান্য শাসকরা এটি সম্পন্ন করেন। কালক্রমে মন্দিরটিতে বহুবার পরিবর্তন আনা হয়। যার ফলে এটি আজকের এই জাঁকজমকপূর্ণ রূপ লাভ করেছে। স্থাপত্যে কলিঙ্গ ও দ্রাবিড় শৈলীর এক সুন্দর মিশ্রণ দেখা যায়। 

দানে পূর্ণ কোষাগার
জগন্নাথ মন্দিরের ধনসম্পদের বেশিরভাগই রাজা ও শাসকদের দান থেকে এসেছে। বিশ্বাস করা হয়, মন্দিরের নির্মাণের পর রাজা অনঙ্গভীম দেহ দেবতাকে প্রচুর পরিমাণে সোনা নিবেদন করেছিলেন। এছাড়াও সূর্যবংশী রাজারাও সোনা, রুপো এবং মূল্যবান পাথর দান করেছিলেন। পঞ্চদশ শতকে রাজা কপিলেন্দ্র দেবও মন্দিরে উদার হস্তে দান করেছিলেন। তিনি হাতির পিঠে চড়ে মন্দিরে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে এসেছিলেন। একই ভাবে শিখ শাসক মহারাজা রণজিৎ সিং মন্দিরে সোনা দান করেন এবং তাঁর ইচ্ছেপত্রে কোহিনূর হীরেটি দান করার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন। এই দানগুলি থেকেই সোনাবেশা প্রথার প্রচলন হয়। 

কোষাগার বেশ কয়েকবার আক্রান্ত 
পুরীর মন্দিরের ধনসম্পদ লুট করার বহুবার চেষ্টা হয়েছিল। আফগান ও মঘল আমলে আক্রমণ হয়েছিল। পরে মারাঠা এবং তারপর ব্রিটিশরাও এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। তবে বলা হয়, ব্রিটিশরা ধনসম্পদ রক্ষা করেছিল এবং এর হিসেব রেখেছিল। এই আক্রমণের সময়ে মন্দিরের মূর্তিগুলিসুরক্ষার জন্য লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারটি ২টি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত ছিল। একটি বাইরের কক্ষ। যেখানে পুজার্চনার সামগ্রী রাখা হতো। একটি ভিতরের কক্ষ, যেখানে আসল ধনসম্পদ রাখা হতো। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement