Rahul on Dharmendra Pradhan: 'বদলি নয়, ইস্তফাই চাই', ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে মোদী সরকারকে আল্টিমেটাম রাহুলের

Rahul Gandhi press conference Dharmendra Pradhan resignation: বদলি নয়। ইস্তফা-ই চাই। কেন্দ্রীয় সরকারকে আল্টিমেটাম দিলেন রাহুল গান্ধী। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিরোধী দলনেতা। জানান, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেবল অন্য কোনও মন্ত্রক বা দফতরে স্থানান্তরিত বা ‘বদলি’ করলেই পার পাওয়া যাবে না। 

Advertisement
'বদলি নয়, ইস্তফাই চাই', ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে মোদী সরকারকে আল্টিমেটাম রাহুলেররাহুল বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেবল অন্য কোনও মন্ত্রক বা দফতরে স্থানান্তরিত বা ‘বদলি’ করলেই পার পাওয়া যাবে না। 
হাইলাইটস
  • কেন্দ্রীয় সরকারকে আল্টিমেটাম দিলেন রাহুল গান্ধী।
  • শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিরোধী দলনেতা।
  • কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর মতে, দেশের ভবিষ্যৎ এই আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা।

Rahul Gandhi press conference Dharmendra Pradhan resignation: বদলি নয়। ইস্তফা-ই চাই। কেন্দ্রীয় সরকারকে আল্টিমেটাম দিলেন রাহুল গান্ধী। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিরোধী দলনেতা। জানান, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেবল অন্য কোনও মন্ত্রক বা দফতরে স্থানান্তরিত বা ‘বদলি’ করলেই পার পাওয়া যাবে না। তাঁকে ক্যাবিনেট থেকেই বরখাস্ত করতে হবে। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলন এবং কেন্দ্র-সিজেপি বৈঠকের আবহে রাহুলের এই বার্তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

শনিবার রাজধানীর যন্তর মন্তরে সিজেপি প্রতিনিধিদল ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের মধ্যে ফের একপ্রস্থ বৈঠক হতে চলেছে। ঠিক তার আগেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাহুল। জানান, ছাত্র সমাজ যে দাবি করছে তা কোনওভাবেই অগ্রাহ্য করার অধিকার সরকারের নেই।

ছাত্র আন্দোলনের ৩ 'নন-নেগোশিয়েবল' দাবি
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর মতে, দেশের ভবিষ্যৎ এই আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। তাঁদের মূলত তিনটি প্রধান ও ন্যায্য দাবি:

১. ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা: ব্যর্থতা ও দুর্নীতির দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে। স্রেফ পদ পরিবর্তন করলে হবে না।

২. লাঠিচার্জের ঘটনার বিচার ও শাস্তি: আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের ওপর যে সমস্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী বর্বরোচিত লাঠিচার্জ ও অত্যাচার চালিয়েছে, তাঁদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

৩. প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমাপ্রার্থনা: হাজার হাজার নির্দোষ পড়ুয়ার ওপর নির্যাতন ও অপমানের দায় স্বীকার করতেই হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রকাশ্যে আন্দোলনকারীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি রাহুলের।

রাহুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'এমনও জল্পনা শোনা যাচ্ছে যে সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শিক্ষামন্ত্রক থেকে সরিয়ে অন্য কোনও মন্ত্রকে স্থানান্তরিত করার ছক কষছে। দেশের ছাত্রসমাজ বা বিরোধী দল এটা মেনে নেবে না। তিনি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন। ফলে তাঁকে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করাই একমাত্র পথ।'

এদিন রাহুল একজন আন্দোলনকারী ছাত্রর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। জানান, এই ছাত্র পুলিশের রাবার গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি চিরতরে হারাতে পারেন। রাহুলের অভিযোগ, আন্দোলন দমনে যেভাবে হাজার হাজার পড়ুয়ার মাথায় লাঠি মারা হয়েছে, তা স্বাধীন ভারতে নজিরবিহীন।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও মেসেজেরও তীব্র কটাক্ষ করেন রাহুল। বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী মহাশয় ভিডিও বানিয়ে জ্ঞান দিচ্ছেন। অথচ পড়ুয়ারা কোনও মৌখিক পরামর্শ চায়নি। তারা অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও আইনি পদক্ষেপ চায়। ওদের রক্ত ঝরানো ও অপমান করার দায় স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর অবিলম্বে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া উচিত।' 

POST A COMMENT
Advertisement