যন্তরমন্তর যেতে পারলেন না রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, 2 ঘণ্টা আটকের পর মুক্তি

INDIA Bloc Jantar Mantar Protest: বিরোধী সাংসদদের নিয়ে রাহুল গান্ধী রওনা দেন যন্তরমন্তরের দিকে। চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদ।

Advertisement
যন্তরমন্তর যেতে পারলেন না রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, 2 ঘণ্টা আটকের পর মুক্তিযন্তরমন্তরে প্রতিবাদ

যন্তরমন্তরে বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার। তার আগে এ দিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের ডাকে দিল্লির সাগর রত্না রেস্তরাঁয় বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। রেস্তরাঁটি যন্তরমন্তর থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে। যন্তরমন্তর চত্বরে বিরোধী সাংসদদের প্রতিবাদ। আটক করা হয় রাহুল-সহ অন্য সাংসদের। পরে সকলকে ছেড়ে দেয় দিল্লি পুলিশ।  

সন্ধ্যা ৮টা ১০ মিনিট

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা-সহ অন্য বিরোধী সাংসদদেরও ছেড়ে হলয

সন্ধ্যা ৭টে ৫৭ মিনিট

দিল্লি পুলিশের হাতে আটক ইন্ডিয়া ব্লকের নেতা ও সাংসদরা ছত্রশাল স্টেডিয়ামে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর সময় তাঁদের আটক করেছিল পুলিশ। পরে তাঁদের ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

সন্ধ্যা ৭টে ৪৫ মিনিট

বারাখাম্বা থানার দ্বিতীয় গেট দিয়ে রাহুল গান্ধীকে বার করে আনা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা। রাহুলের কনভয়কে থানার বাইরে থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেল।

সন্ধ্যা ৭টে ৩৪ মিনিট

রাহুল গান্ধীকে বারাখাম্বা রোড থানায় নিয়ে যাওয়া হল। সেখানে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কেরলের মুখ্যমন্ত্রীও সেখানে উপস্থিত।

সন্ধ্যা ৭টে ২৪ মিনিট

রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তাঁর বিরুদ্ধে অরাজকতা ছড়ানো এবং সমাজবিরোধী শক্তির সঙ্গে কাজ করার অভিযোগ তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।
 

সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিট

কংগ্রেসের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে বাসের ভিতরে বসে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাকে।

সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিট

রাহুল গান্ধীকে এবার অন্য একটি বাসে করে নিয়ে যাবে পুলিশ।

সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিট

রাহুল গান্ধীকে যে বাসে করে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছিল, সেটির চাকা ফুটো করে দিয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা। রাহুলকে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিট

যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিকের তর্কাতর্কি।

সন্ধ্যা ৬টে ২৭ মিনিট

মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন,'সংবিধান এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য কংগ্রেস ও বিরোধীদের যতবার রাস্তায় নামতে হয়, গ্রেফতার হতে হয় বা মামলার মুখোমুখি হতে হয়, তার জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যোগসাজশের অভিযোগ তুলে খাড়্গে বলেন,'এই আঁতাঁত প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এবার পদত্যাগ এবং পদক্ষেপ করার সময়। অহংকারী ক্ষমতা জনগণের জেদের সামনে বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না'।

সন্ধ্যা ৬টে ৭ মিনিট

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার অভিযোগ, মহিলা পুলিশকর্মীরা তাঁকে বেশ কয়েকটি জায়গায় আঁচড়ে দিয়েছেন। মাটিতে ফেলে দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়ে। তাঁরা শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করার দাবি জানাচ্ছেন। অথচ সাংসদদের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।

বিকেল ৫টে ৫৩ মিনিট

রাহুল গান্ধীকে আটক করে একটি বাসে বসিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

বিকেল ৫টে ৪০ মিনিট

যন্তরমন্তরের কাছের রাস্তায় মাটিতে শুয়ে পড়েছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা।

বিকেল ৫টে ২৫ মিনিট

সূত্রের খবর, কংগ্রেসের বিক্ষোভে যোগ দেয়নি সমাজবাদী পার্টি। জানা যাচ্ছে, বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য এসপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ বিষয়ে দলের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগও করা হয়নি বলে সূত্রের দাবি। বিক্ষোভের আগে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজেও এসপির কোনও সদস্য উপস্থিত ছিলেন না।

বিকেল ৫টে ২০ মিনিট

দিল্লিতে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী যন্তরমন্তরের দিকে এগোচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা
 

বিকেল ৫টে ১৭ মিনিট

ঘটনাস্থল থেকে জানা গিয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের বাসগুলি আটকানো হয়েছিল, সেখান থেকে যন্তরমন্তর প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ মিটার দূরে। রাহুল গান্ধী হেঁটেই যন্তরমন্তরের দিকে যেতে পারতেন। কিন্তু তাঁকে যেতে দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে তখনও পরিস্থিতি স্পষ্ট ছিল না। ঘটনাস্থলে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শুধু ওই প্রায় ১০০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

বিকেল ৫টে ১৫ মিনিট

যন্তরমন্তরে আন্দোলনের অনুমতি নিয়েও প্রশ্ন উঠল। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের যন্তরমন্তরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর কৌশল সম্পর্কে আগেই অবগত ছিল পুলিশ। তাই তার আগেই কর্মীদের আটকানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিএনএসের ১৬৩ ধারা জারি থাকার মধ্যেই স্লোগান দেওয়া এবং পোস্টার-ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো কর্মীদের আটক করতে শুরু করে পুলিশ। একে একে বিক্ষোভকারীদের বাসে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায় পুলিশকে।
 

বিকেল ৫টে ১১ মিনিট

রাহুল গান্ধীর বাস যন্তরমন্তরের কাছে পৌঁছতেই সেখানে থাকা কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ শুরু করে দিল্লি পুলিশ। যন্তরমন্তরের কাছে আগে থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল।রাহুলের বাসের সামনে স্লোগান দিতে থাকা কংগ্রেস কর্মীদের একে একে আটক করতে শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে একাধিক বাসও রাখা হয়েছিল। 

বিকেল ৫টে ৫ মিনিট

এক্স হ্যান্ডলে রাহুল গান্ধীর একটি ছবি পোস্ট করল কংগ্রেস। ছবিতে তাঁকে বাসের ভিতরে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

বিকেল ৪টে ৫০ মিনিট

এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করেল কংগ্রেস। লেখা হয়েছে,'আমরা কাউকে মানুষের ভোট চুরি করতে দেব না'।

বিকেল ৪টে ৪৮ মিনিট

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলির বিক্ষোভের মধ্যেই আগামিকাল দিল্লি যাচ্ছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির রাজনৈতিক তৎপরতা ক্রমশ বাড়তে থাকায় মমতার দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কেন্দ্র করে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ বাড়াতে ইন্ডিয়া জোট এক সপ্তাহের প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করেছে।

বিকেল ৪টে ৪৪ মিনিট

বাসে যন্তরমন্তরের দিকে এগোচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা।

বিকেল ৪টে ৩৯ মিনিট

দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে চলা বিক্ষোভে যন্তরমন্তরে আটক করা হয়েছে দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি দেবেন্দ্র যাদব-সহ ইন্ডিয়া ব্লকের অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের।

Advertisement

বিকেল ৪টে ১৭ মিনিট

দিল্লিতে যন্তরমন্তরের কাছে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা বিক্ষোভস্থলের দিকে যাওয়ার কথা। এর আগে দুপুরে মল্লিকার্জুন খড়্গের ডাকা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।

বিকেল ৪টে ৬ মিনিট

ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদদের নিয়ে একটি বাস যন্তরমন্তরের দিকে যাচ্ছিল। সেই বাস আটকানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদম্বরম। কার্তির দাবি, তাঁরা ব্যক্তিগত বাসে যাতায়াত করছেন। বাসটির প্রয়োজনীয় অনুমতি রয়েছে। বৈধ লাইসেন্সও আছে চালকের। সাংসদেরা ওই বাসে যাত্রী হিসেবে সফর করছেন। তাঁর প্রশ্ন, দেশের নাগরিকদের কি স্বাধীন ভাবে যাতায়াতের অধিকার নেই? তাঁরা কোথায় যাচ্ছেন, তা কি সরকারকে জানানো বাধ্যতামূলক? ব্যক্তিগত ভাবে যাতায়াত করতেও কি সরকারের অনুমতি নিতে হবে?

বিকেল ৪টে

মল্লিকার্জুন খড়্গের ডাকা বিরোধী সাংসদদের বৈঠক শেষ হওয়ার পর জন্তর মন্তরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন সাংসদেরা। একটি বাসে রয়েছেন খড়্গে, রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা-সহ বিরোধী দলের অন্যান্য সাংসদ।

বিরোধী সাংসদদের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখছে দিল্লি পুলিশ। আপাতত ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ কৌশলেই এগোচ্ছে। পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সাংসদেরা যন্তরমন্তর, কনট প্লেস অথবা উইন্ডসর প্যালেসের দিকে এগোলে তাঁদের আটকে দেওয়া হবে। সাংসদদের আটক করা এবং তাঁদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া নিয়ে পুলিশকর্মীদের আগেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিকেল ৩টে ৫০ মিনিট

এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে মল্লিকার্জুন খাড়্গে জানালেন, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের নেতারা আজ যন্তরমন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাবেন। তাঁদের দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন খাড়্গে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন যা করছে, তার পিছনে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ বিরোধীদের। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, সব দল একজোট হয়ে দেশের মানুষকে জানাতে চান যে তাঁদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে যত মামলাই করা হোক না কেন, তাঁরা ভয় পাবেন না, আন্দোলনও থামাবেন না।

বিকেল ৩টে ৪০ মিনিট

তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ডেরেক ও'ব্রায়েন জানিয়েছেন, সমস্ত বিরোধী সাংসদ ঐক্যবদ্ধ। তাঁর কথায়,'আমরা সবাই এখানে একসঙ্গে রয়েছি। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। কোনও অহংকার ছাড়াই আমরা এখানে রয়েছি'। ডেরেক যোগ করেন, একটি বড় শক্তির বিরুদ্ধে বিরোধীদের লড়াই চলবে, যতদিন না সেই শক্তিকে ক্ষমতা থেকে সরানো হচ্ছে।

বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিট

লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, বিরোধী সাংসদরা তিন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। রাহুল বলেন,'আমার কাছে জ্ঞানেশ কুমার বৈধ নির্বাচন কমিশনার নন। তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ করেন রাহুল। সেই সঙ্গে জানান,'এখনও পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে ৪৫টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। আমি চাই আরও ১০০টা এফআইআর দায়ের হোক। আমার কাছে এক একটা এফআইআর পদকের মতো'।
 

POST A COMMENT
Advertisement