রাহুল গান্ধী ও কানহাইয়া কুমারদিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (DUSU) নির্বাচনের রেজাল্টের পরে কংগ্রেসের অন্দরে রীতিমতো সরগরম পরিস্থিতি।
DUSU নির্বাচনের রেজাল্টের সমীক্ষা করতে সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের রেজাল্টে তিনি ও শীর্ষ নেতৃত্ব কতটা ক্ষুব্ধ, তা স্পষ্ হয়ে যায় বৈঠকে।
সূত্রের খবর, রাহুল নিজে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনী রেজাল্ট নিয়ে বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, 'আমরা সভাপতির আসন জেতার খুব কাছাকাছি ছিলাম। তারপর এমন কী ঘটল?'
কানহাইয়া কুমার ও বিনোদ জাখরের ক্লাস নিলেন রাহুল
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (DUSU) নির্বাচনে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন NSUI-এর ফলাফল নিয়ে দলের অন্দরে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। সোমবার ১০ জনপথে NSUI-এর ইনচার্জ কানহাইয়া কুমার ও সভাপতি বিনোদ জাখরের সঙ্গে বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে কংগ্রেসের সংগঠন বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপালও উপস্থিত ছিলেন।
এবার DUSU-এর কেন্দ্রীয় প্যানেলের চারটি পদের একটিতেও জয় পায়নি NSUI। ABVP তিনটি পদে জয়ী হয়েছে। অন্য একটি পদে জয় পেয়েছেন NSUI-এর প্রাক্তন ও বিদ্রোহী প্রার্থী দীপাংশু শৌকিন, যিনি নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ফলে প্রার্থী বাছাই, টিকিট বণ্টন এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে।
কেন দীপাংশু শৌকিনকে টিকিট দেওয়া হয়নি?
বৈঠকে রাহুল গান্ধী NSUI-এর নির্বাচনী প্রস্তুতি, প্রার্থী বাছাই এবং প্রচারের কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে দীপাংশু শৌকিনকে টিকিট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শৌকিন পরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে DUSU-এর সহ-সভাপতি পদে জয়ী হন।
কেসি ভেনুগোপালও টিকিট বণ্টন এবং নির্বাচনী দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বলে জানা গিয়েছে। দলের অন্দরে এই ফলাফলের সাংগঠনিক কারণ খতিয়ে দেখতে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তরুণ ও Gen Z ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং ক্যাম্পাস স্তরে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের পর বিনোদ জাখর জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং ক্যাম্পাসে আরও সক্রিয়ভাবে পড়ুয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোই আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল।