২০-২২ জন সাংসদ ত্রিপুরার আঞ্চলিক দল এনসিপিআই-এর সঙ্গে জুড়ে যেতে পারেন।ত্রিপুরার আঞ্চলিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-তে জুড়ে যাচ্ছেন তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। সূত্রের খবর, লোকসভায় পৃথক রাজনৈতিক পরিচয় গড়ে তোলার লক্ষ্যে NCPI-এর ছত্রছায়ায় যাচ্ছেন তাঁরা। NCPI যোগের পর কেন্দ্রে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করতে পারেন বিদ্রোহী সাংসদরা। NCPI যোগের বিষয়টি ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছেন শতাব্দী রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
#WATCH | Delhi: After meeting Lok Sabha Speaker Om Birla, Rebel TMC MP Kakoli Ghosh Dastidar says, "We requested separate seating arrangements. we've said that we are merging with the Nationalist Citizens Party." pic.twitter.com/t0zR64bD0x
— ANI (@ANI) June 14, 2026
তৃণমূলে ভাঙনের আবহে গোটা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে দিল্লি ও কলকাতার রাজনৈতিক মহলে। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, বর্তমানে তাঁদের সঙ্গে প্রায় ২০ জন সাংসদ রয়েছেন। আরও দু’জন সাংসদ যোগ দিতে পারেন বলেও দাবি করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, বিদ্রোহী সাংসদরা তৃণমূলের বর্তমান নেতৃত্ব থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে একটি পৃথক গ্রুপ তৈরির চেষ্টা করছেন। তবে তার বিরোধিতা করে ইতিমধ্যেই ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি দলত্যাগ আইন বিরোধী বলে উল্লেখ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মের বেড়াজাল এড়াতেই এবার NCPI-এর সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছেন বিদ্রোহীরা। রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃত একটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে জুড়লে খাতায় কলমে আর বাধা থাকবে না। ফলে NCPI এর সঙ্গে জুড়ে নতুন সংসদীয় সমীকরণ গড়ে তোলাই লক্ষ্য তাঁদের।
মূলত ত্রিপুরার আঞ্চলিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া বা NCPI। তবে অসম ও পশ্চিমবঙ্গে তাদের অল্প সংগঠন আছে। অতীতে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনেও এই দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উনকোটি জেলার কৈলাসহর কেন্দ্র থেকে এনসিপিআই-এর প্রার্থী হিসাবে লড়েছিলেন জাহাঙ্গির আলি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা যদি এনসিপিআই-এর সঙ্গে জুড়ে যান, তা শুধু তৃণমূলের জন্যই নয়, জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হয়ে উঠতে পারে। কারণ, লোকসভায় একটি বড় আঞ্চলিক দলের সাংসদদের অবস্থান পরিবর্তন সংসদীয় সমীকরণে নয়া মাত্রা যোগ করতে পারে।