Pm Modi on Hormuz Crisis: '২০১৪ সালের আগে হলে দেশে ট্রেনই চলত না...' কেন বললেন মোদী?

আজ হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী। তারপরই তিনি বলেন, '২০১৪ সালের আগে হলে দেশে ট্রেনই চলত না...'। কিন্তু কেন বললেন? জেনে নিন।

Advertisement
'২০১৪ সালের আগে হলে দেশে ট্রেনই চলত না...' কেন বললেন মোদী?হরমুজ নিয়ে কী বললেন নরেন্দ্র মোদী?
হাইলাইটস
  • আজ হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী
  • '২০১৪ সালের আগে হলে দেশে ট্রেনই চলত না...'
  • কিন্তু কেন বললেন? জেনে নিন

আজ হরিয়ানাতে ইরান ও আমেরিকা, ইজরায়েলের যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, গত কয়েক মাস ধরে পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ চলছে। এই সমুদ্রপথ দিয়েই ভারতে বিপুল পরিমাণে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি গ্যাস এবং কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সার আসে। কিন্তু গত তিন-চার মাস ধরে এই সমুদ্রপথ কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। আর এমন পরিস্থিতি যদি ২০১৪ সালের আগে তৈরি হতো, তাহলে ভারতে ট্রেনই চলত না। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, '২০১৪ সালের আগে যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো, তাহলে আজ ভারতের রেল ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ত। কারণ, ২০১৪ সালের আগে দেশের একটি বড় অংশে শুধুমাত্র ডিজেলে চলত ট্রেন। এখন ভাবুন, যদি ডিজেল আসা বন্ধ হয়ে যেত, তাহলে ডিজেলে চলা ট্রেনগুলি কীভাবে চলত? এত বড় সঙ্কটের সময় দেশের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল কোথা থেকে আসত?'

এরপরই তিনি দাবি করেন, এটা ২০১৪ সালের ভারত নয়। এটি নরেন্দ্র মোদীর ভারত। তিনি অনেক দিন আগেই ভবিষ্যতের কথা ভেবেছেন। সমস্যার সমাধানের পথও আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছেন। তাই দেশে ট্রেন চলাচলে কোনও সমস্যা হয়নি।

নিজের সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'গত ১২ বছরে ভারতের প্রায় ৯৯ শতাংশ রেল নেটওয়ার্কের বিদ্যুতায়ন হয়ে গিয়েছে। হরিয়ানায় রেল নেটওয়ার্কের ১০০ শতাংশ বিদ্যুতায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে। এই কারণেই যুদ্ধ চললেও, তেলের সঙ্কট তৈরি হলেও ভারতের রেল পরিষেবা থেমে যায়নি। ভারতের উন্নয়নের গতি থেমে যায়নি। ট্রেন চলছে।'

হাইড্রোজেন ট্রেন

হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন করলেন
আজ দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী। হরিয়ানার জিন্দ স্টেশন থেকে সোনিপত পর্যন্ত চলবে।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ভারতের প্রথম ট্রেন চলেছিল মুম্বই থেকে থানে। কিন্তু দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের কথা উঠলে জিন্দ এবং সোনিপতের নাম চিরকাল মনে রাখা হবে।'

Advertisement

তিনি জানান, এটি ২১ শতাব্দীর প্রযুক্তি। আপাতত এই ট্রেন ৯০ কিলোমিটার পথ চলবে। তবে ভবিষ্যতে এর পরিসর আরও বাড়ানো হতে পারে। এই নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাওয়া হবে। 

মাথায় রাখতে হবে, বিশ্বে মাত্র ৩-৪টি দেশের হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোর সক্ষমতা রয়েছে। আর সেই লিস্টে জুড়ে গেল ভারত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন। এর শক্তি ৩,৪০০ হর্সপাওয়ার। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ হাইড্রোজেন ট্রেন। অন্য দেশগুলিতে হাইড্রোজেন ট্রেনে ৩ থেকে ৪টি কোচ থাকে। কিন্তু ভারতে এই ট্রেনে রয়েছে ১০টি কোচ।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ভারতের এই হাইড্রোজেন ট্রেন 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-এর একটি অত্যন্ত সফল উদাহরণ। এটি ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারদের ডিজাইনে তৈরি হয়েছে। একটি ভারতীয় সংস্থাই এটি নির্মাণ করেছে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement