CEC জ্ঞানেশ কুমারকে সরতেই হবে? ২০০-র বেশি MP সই করে দিলেন, এককাট্টা INDIA জোট

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধী শিবির বড় পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। সূত্রের খবর, তাঁর অপসারণের দাবিতে আনা নোটিশে ইতিমধ্যেই দুই কক্ষ মিলিয়ে দু’শোরও বেশি সাংসদ সই করেছেন। এর মধ্যে লোকসভার ১৩০ জন এবং রাজ্যসভার ৬৩ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে।

Advertisement
CEC জ্ঞানেশ কুমারকে সরতেই হবে? ২০০-র বেশি MP সই করে দিলেন, এককাট্টা INDIA জোট
হাইলাইটস
  • প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধী শিবির বড় পদক্ষেপের পথে হাঁটছে।
  • সূত্রের খবর, তাঁর অপসারণের দাবিতে আনা নোটিশে ইতিমধ্যেই দুই কক্ষ মিলিয়ে দু’শোরও বেশি সাংসদ সই করেছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধী শিবির বড় পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। সূত্রের খবর, তাঁর অপসারণের দাবিতে আনা নোটিশে ইতিমধ্যেই দুই কক্ষ মিলিয়ে দু’শোরও বেশি সাংসদ সই করেছেন। এর মধ্যে লোকসভার ১৩০ জন এবং রাজ্যসভার ৬৩ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে।

সূত্রের দাবি, শুক্রবার সংসদের কোনও এক কক্ষে এই নোটিশ জমা দেওয়া হতে পারে। যদিও তা লোকসভা নাকি রাজ্যসভায় পেশ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিরোধী শিবিরের এক নেতা জানিয়েছেন, সাংসদদের মধ্যে এই নোটিশে সই করার ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যার বেশি সাংসদ সই করার পরও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনেকেই এগিয়ে এসে সমর্থন জানিয়েছেন।

সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, লোকসভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের প্রস্তাব আনতে কমপক্ষে ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, রাজ্যসভায় সেই সংখ্যা ৫০। সেই হিসাবে বিরোধী পক্ষ প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়েও বেশি সমর্থন জোগাড় করতে পেরেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

সূত্রের মতে, নোটিশটিতে বিভিন্ন বিরোধী দলের সাংসদেরা সই করেছেন। এমনকি আম আদমি পার্টির সাংসদেরাও এতে সমর্থন জানিয়েছেন, যদিও দলটি বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী জোটের অংশ নয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবিতে এ ধরনের নোটিশ আনা হচ্ছে।

সূত্রের দাবি, নোটিশে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দফতরে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত, নির্বাচনী অনিয়মের তদন্তে ইচ্ছাকৃত বাধা এবং ভোটাধিকার থেকে নাগরিকদের বঞ্চিত করার মতো অভিযোগ।

বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শাসক দল বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। বিরোধীদের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকায় কারচুপি করে কেন্দ্রের শাসক দলকে রাজনৈতিক সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গেও এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল অভিযোগ করেছে, এই প্রক্রিয়ায় প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। আইন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের প্রক্রিয়া অনেকটাই সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের মতোই। অর্থাৎ, প্রমাণিত অসদাচরণ বা অক্ষমতার ভিত্তিতেই এই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। সংসদের যেকোনও এক কক্ষে অপসারণের প্রস্তাব উত্থাপন করা যেতে পারে এবং তা পাস করতে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, অর্থাৎ মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement