BRICS-এর মধ্যেই ভারতকে ধামাকা অফার রাশিয়ারনয়াদিল্লিতে চলছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। দু'দিনের এই সম্মেলনের আবহের মধ্যেই বড় ঘোষণা করল রাশিয়া। Indian Airforce -এর সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান বহরের আপগ্রেডের জন্য উন্নতমানের ইজদেলিয়ে ১৭৭এস ইঞ্জিন সরবরাহের প্রস্তাব দিল রাশিয়া।
দাবি করা হচ্ছে, এই নতুন ইঞ্জিনটি কোনও বড় ধরনের পুনর্নিমান ছাড়াই বিমানটির ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। ১৪.৫ টন পর্যন্ত থ্রাস্ট উৎপন্নকারী এই ইঞ্জিনটি ওজন এবং আকারে পুরোনো AL-31F/FP-এর প্রায় সমান। ফিফথ জেনারেশনের Su-57E যুদ্ধবিমান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলা আলোচনার মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রস্তাবটি এসেছে।
রাশিয়ার দাবি, এই ইঞ্জিনটি বিভিন্ন অপারেটিং মোডে ৭ শতাংশ কম জ্বালানি খরচ করে। পাশাপাশি, এই ইঞ্জিনের সময়কাল থাকবে ৬০০০ ঘণ্টা। বিশেষ বিষয় হল, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড ইতিমধ্যেই AL-31FP ইঞ্জিন তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। ফলে ১৭৭এস ইঞ্জিনটি ভারতের দেশীয় মহাকাশ উন্নয়নে পরবর্তী বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।
SU-57E এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা
এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি এমন একটি সময়ে এসেছে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে ভারত ও রাশিয়া প্রতিরক্ষা খাতে টানা কাজ তরে চলেছে। ফিফথ জেনারেশনের এসইউ-৫৭ই যুদ্ধবিমান নিয়েও দুই দেশের মধ্যে হাই লেভেল আলোচনা চলছে। এই নতুন সুখোই ইঞ্জিন পার্টনারশিপ দুই দেশের মধ্যে ফিফথ জেনারেশনের বিমান চলাচল সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা পার্টনারশিপকে আরও প্রসারিত করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য বিষয় হল, Sukhoi-30 দু’টি শক্তিশালী ইঞ্জিনে চলে। ফলে অনেক বেশি ওজন নিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে। এটি দীর্ঘ সময় আকাশে টহল দিতে পারে। তাই বড় সামরিক অভিযান বা দীর্ঘপাল্লার মিশনে এই যুদ্ধবিমানকে বেশি ব্যবহার করা হয়। ভারতের Sukhoi-30MKI-এর ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনের ক্ষমতাও রয়েছে।