বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে রোপওয়ে নির্মাণের প্রতিবাদে বনধ চলছে কাটরায়মাতা বৈষ্ণো দেবী তীর্থযাত্রা রুটে নির্মিত রোপওয়ের প্রতিবাদে বুধবার কাটরা বন্ধের ডাক দিয়েছে সংঘর্ষ সমিতি। কমিটি ব্যবসায়ী, ঘোড়সওয়ার, কুলি এবং পালকি চালকদের এই বন্ধ সফল করার জন্য আবেদন করে। তবে হোটেল, গেস্ট হাউস এবং ধর্মশালাগুলিকে এর আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ এবং শিশুদের সুবিধার্থে তারাকোট থেকে সাঁঝি ছট পর্যন্ত তীর্থযাত্রার পথে একটি রোপওয়ে নির্মাণ করছে মাতা বৈষ্ণো দেবী তীর্থযাত্রা বোর্ড। তবে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রোপওয়ে নির্মাণের ফলে ঘোড়াচালক, কুলি, পালকি চালক এবং তীর্থযাত্রার পথে পরিষেবা প্রদানকারী ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
ভ্রমণ রুটে বেসরকারি দোকান বন্ধ
মঙ্গলবার সংঘর্ষ সমিতির এক বৈঠকের পর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাটরায় শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তীর্থযাত্রার পথের পাশে, বনগঙ্গা থেকে ভবন মার্গে মিল্ক বার এলাকা পর্যন্ত সমস্ত বেসরকারি দোকান বন্ধ থাকবে। ঘোড়া, কুলি এবং পালকি শ্রমিকদেরও ধর্মঘটে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কমিটি বলছে যে স্থানীয় জনগণের জীবিকা এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ।
পরিবারের জীবিকা প্রভাবিত হয়েছে
সংঘর্ষ সমিতির অভিযোগ, তারাকোট-সাঁঝি রোপওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে স্থানীয় হাজার হাজার পরিবারের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ঘোড়া চালক, কুলি, পালকি চালক এবং ছোট ব্যবসায়ীরা, যারা বছরের পর বছর ধরে তীর্থযাত্রায় পরিষেবা প্রদান করে আসছেন, তারা এই প্রকল্পের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সমিতি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, লেফটেন্যান্ট গভর্নরের গঠিত উচ্চ-স্তরের কমিটি যদি তাদের দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে।
ভক্তদের সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে কমিটি জানিয়েছে যে এই আন্দোলন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নয়, বরং স্থানীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য। উল্লেখ্য, কাটরার মাতা বৈষ্ণো দেবী মন্দির দেশের অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান, যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত আসেন। বন্ধের ফলে ভ্রমণ ব্যবস্থা প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।