Viral Love Story: এক বাড়িতেই থাকতে রাজি স্বামী-স্ত্রী-প্রেমিক তিনজনেই! থানা থেকে যা বলল...

কথায় আছে, 'মিঞা-বিবি রাজি তো কেয়া করেগা কাজি'। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের ঘটনা যেন যেন আরও এক কাঠি উপরে। সেখানে মিঞা-বিবির সঙ্গেই থাকতে রাজি আরও এক জন! মজার বিষয়, তিন জনেরই নাকি একসঙ্গে থাকার ব্যাপারে আপত্তি নেই।

Advertisement
এক বাড়িতেই থাকতে রাজি স্বামী-স্ত্রী-প্রেমিক তিনজনেই! থানা থেকে যা বলল...আপত্তির জেরেই শেষ পর্যন্ত প্রেম-ভালবাসার গল্প পৌঁছে গেল থানার দরজায়।
হাইলাইটস
  • কথায় আছে, 'মিঞা-বিবি রাজি তো কেয়া করেগা কাজি'
  • উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের ঘটনা যেন যেন আরও এক কাঠি উপরে।
  • আপত্তির জেরেই শেষ পর্যন্ত প্রেম-ভালবাসার গল্প পৌঁছে গেল থানার দরজায়।

কথায় আছে, 'মিঞা-বিবি রাজি তো কেয়া করেগা কাজি'। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের ঘটনা যেন যেন আরও এক কাঠি উপরে। সেখানে মিঞা-বিবির সঙ্গেই থাকতে রাজি আরও এক জন! মজার বিষয়, তিন জনেরই নাকি একসঙ্গে থাকার ব্যাপারে আপত্তি নেই। আপত্তি শুধু পরিবারের। সেই আপত্তির জেরেই শেষ পর্যন্ত প্রেম-ভালবাসার গল্প পৌঁছে গেল থানার দরজায়।

ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলার মহমুদাবাদের। সেখানে স্বামী, স্ত্রী এবং স্ত্রীর প্রেমিকের একসঙ্গে থাকা নিয়ে এলাকায় বেশ চর্চা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, তিনজনই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্তে অনড়। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যেরা তাতে রাজি নন।

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ‘তৃতীয় ব্যক্তি’, তবু আপত্তি নেই!
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহমুদাবাদ কোতওয়ালিতে শুক্রবার এই সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা চলে। সেখানে ছিলেন স্বামী শুভম বর্মা, তাঁর স্ত্রী অঞ্জু এবং নিতিন নামে এক যুবক।

অভিযোগ বা দাবি যা-ই বলা হোক, তিন জনের বক্তব্যে একটি বিষয়ে বেশ মিল রয়েছে—তাঁরা একসঙ্গে থাকতে চান। অঞ্জুর দাবি, তিনি স্বামী শুভম এবং নিতিন—দু’জনের সঙ্গেই থাকতে চান। অন্য দিকে শুভমও জানিয়েছেন, স্ত্রী এবং নিতিনকে ছেড়ে তিনি থাকতে চান না।

অর্থাৎ, সংসারে ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ ঢুকলেও আপাতত স্বামীর তরফে তেমন আপত্তি নেই। বরং তিন জনকে নিয়েই সংসার চালানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি!

এই দম্পতির দুই সন্তানও রয়েছে। তাঁদেরও সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়েছে।

‘ভাই’ হিসাবেই বাড়িতে যাতায়াত ছিল নিতিনের
গল্পের আরও একটি মজার দিক রয়েছে। জানা গিয়েছে, নিতিন আগে থেকেই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এমনকি সেখানে থাকতেনও। শুভম নিতিনকে নিজের ভাই বলেই মনে করতেন বলে দাবি করা হয়েছে।

তিন জন একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়াও করতেন। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যায় বলে জানা যাচ্ছে। ধীরে ধীরে নিতিন এবং অঞ্জুর মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত তিন জন একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন বলেই দাবি।

Advertisement

অঞ্জুর বক্তব্য, প্রথম দিকে পরিবারের কয়েক জন এই ব্যবস্থায় আপত্তি করেননি। কিন্তু পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। পরিবারের সদস্যেরা তাঁদের বাড়িতে একসঙ্গে থাকতে দিতে অস্বীকার করেন।

‘বাড়ি ছাড়ব, তবু ওদের ছাড়ব না’!
পরিবারের আপত্তি নিয়ে শেষ পর্যন্ত থানায় পৌঁছয় বিষয়টি। শুভমের বক্তব্য, স্ত্রী এবং নিতিনের সঙ্গ তিনি ছাড়বেন না। প্রয়োজনে নিজের বাড়ি ছাড়তেও রাজি।

অন্য দিকে অঞ্জুও একই অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি ছাড়তে হলেও তিনি স্বামী এবং নিতিন—দু’জনের সঙ্গেই থাকতে চান।

ফলে বিষয়টি যে নিছক পারিবারিক ঝামেলা নয়, তা বুঝতে পেরেই পুলিশ দু’পক্ষকে নিয়ে বসে। মহমুদাবাদ কোতওয়ালির ইনচার্জ ভানু প্রতাপ সিংহ তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষণ আলোচনা এবং কথাবার্তা চললেও শেষ পর্যন্ত কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি।

এখনও কোনও মামলা দায়ের হয়নি
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত থানায় একটি আবেদন জমা পড়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কোনও FIR দায়ের হয়নি। অর্থাৎ বিষয়টি এখনও মূলত পারিবারিক বিবাদ এবং সম্পর্কের টানাপড়েন হিসাবেই রয়েছে। তবে পুলিশকর্মীরাও গোটা বিষয়টি নিয়ে বেশ তাজ্জব। সেই কারণেই বিষয়টি নিয়ে এখনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।   

POST A COMMENT
Advertisement