Supreme Court: 'দলগুলির নির্বাচনী খরচে লাগাম', জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে কী বলল SC?

রাজনৈতিক দলগুলির নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর নির্দিষ্ট সীমা আরোপের দাবিতে দায়ের হওয়া এক জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ জারি করেছে।

Advertisement
'দলগুলির নির্বাচনী খরচে লাগাম', জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে কী বলল SC?
হাইলাইটস
  • রাজনৈতিক দলগুলির নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর নির্দিষ্ট সীমা আরোপের দাবিতে দায়ের হওয়া এক জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ জারি করেছে।
  • ‘কমন কজ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই মামলা দায়ের করে নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলির লাগামছাড়া অর্থব্যয়ের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ জানায়।

রাজনৈতিক দলগুলির নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর নির্দিষ্ট সীমা আরোপের দাবিতে দায়ের হওয়া এক জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ জারি করেছে।

‘কমন কজ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই মামলা দায়ের করে নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলির লাগামছাড়া অর্থব্যয়ের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ জানায়। তাদের দাবি, অর্থশক্তির অবাধ ব্যবহার গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নষ্ট করে। আদালত ছ'সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ  যুক্তি দেন, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলির সীমাহীন ব্যয় গণতন্ত্রের ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ভোটারদের সঠিক তথ্য জানার অধিকারও এতে প্রভাবিত হয়। তিনি আদালতকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই পর্যবেক্ষণ করেছে, অপ্রতিবন্ধিত অর্থশক্তি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বিকৃত করতে পারে।

শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী অর্থশক্তির অপব্যবহার রোধে বাস্তব সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'আমেরিকার মতো দেশেও নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা থাকলেও, প্রার্থীদের বন্ধু, সমর্থক বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ ব্যয়ের ঘটনা দেখা যায়। ফলে শুধু সীমা নির্ধারণ করলেই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান হয় না, কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থাও জরুরি।' মামলাটি এখন পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement