Supreme Court: রাষ্ট্র চাইলেই কারও সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে পারে না, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

'কমন গুড' বা সাধারণ কল্যাণের নামে রাষ্ট্র বেসরকারি সম্পদ সম্পূর্ণন অধিগ্রহণ করতে পারে না। রাষ্ট্রের সেই সাংবিধানিক অধিকার নেই। মঙ্গলবার এক ঐতিহাসিক রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। চিফ জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ৯ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রেই কেবল রাজ্য সরকার বেসরকারি সম্পত্তির অধিকার করতে পারে।

Advertisement
রাষ্ট্র চাইলেই কারও সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে পারে না, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

'কমন গুড' বা সাধারণ কল্যাণের নামে রাষ্ট্র বেসরকারি সম্পদ সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ করতে পারে না। রাষ্ট্রের সেই সাংবিধানিক অধিকার নেই। মঙ্গলবার এক ঐতিহাসিক রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। চিফ জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ৯ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রেই কেবল রাজ্য সরকার বেসরকারি সম্পত্তির অধিকার পেতে পারে।

চিফ জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং আরও ছয়জন বিচারপতি এই রায় দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এটি বিচারপতি কৃষ্ণ আয়ারের আগের রায়টি খারিজ করছে। আগে এটাই ধারণা ছিল যে, সংবিধানের আর্টিকেল ৩৯(বি) অনুযায়ী বৃহত্তর স্বার্থে, জনসাধারণের কল্যাণের জন্য রাষ্ট্র চাইলেই সমস্ত বেসরকারি সম্পদ অধিগ্রহণ করতে পারে।

বিস্তারিত বিশ্লেষণ

বিচারপতিরা আর্টিকেল ৩৯(বি)-এর অধীনে বেসরকারি সম্পত্তি 'মেটিরিয়াল রিসোর্সেস অফ দ্য কমিউনিটি' হিসেবে গণ্য হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাষ্ট্র চাইলেই এর পুনর্বন্টন করতে পারে কিনা, তাই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

এর আগের সমাজতান্ত্রিক আদর্শ মেনে যে রায় ছিল, সেটি খারিজ করেছে আদালত। সেখানে বলা হয়েছিল, বেসরকারি সম্পদ 'কমন গুড'-এর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র অধিকার করতে পারবে।

সেই রায়ে চিফ জাস্টিস চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি রিষিকেশ রায়, বিচারপতি বিবি নাগরথনা, বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা, বিচারপতি মনোজ মিশ্র, বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল, বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মা এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মশীহ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। বিচারপতি বিবি নাগরথনা কিছু অংশে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন মত দেন।

মিনার্ভা মিলস মামলা এবং আর্টিকেল ৩১সি

মিনার্ভা মিলস মামলার (১৯৮০)-এর প্রসঙ্গও উঠে আসে। এই কেসে  সংবিধানের ৪২তম সংশোধনী অনুযায়ী বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনা নিষিদ্ধ করা এবং ব্যক্তি অধিকারের ওপরে রাষ্ট্রের নীতি নির্দেশনাকে প্রাধান্য দেওয়া নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।  

POST A COMMENT
Advertisement