Mood of The Nation CJP : ককরোচ জনতা পার্টি নির্বাচনে লড়লে ভোট দেবেন? সমীক্ষায় মিলল জবাব

যখন সমীক্ষায় দেশের জেন-জিদের জিজ্ঞাসা করা হয়, এই মুহূর্তে তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা না চাকরি? উত্তরে ৫৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কর্মসংস্থানই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।

Advertisement
ককরোচ জনতা পার্টি নির্বাচনে লড়লে ভোট দেবেন? সমীক্ষায় মিলল জবাব ছবি: ITG
হাইলাইটস
  • সমীক্ষার পরবর্তী প্রশ্ন ছিল, যদি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে CJP, তাহলে তাদের কি ভোট দেবে?
  • উত্তরে ৩৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা ভোট দেবেন

দিল্লির যন্তর-মন্তরে ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলনে বসেছিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। তাদের চাপের কাছে কার্যত নতি স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। বিজেপি বিরোধী দলগুলি CJP-র আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছিল। সেই থেকে আলোচনায় এই 'অরাজনৈতিক' সংগঠন। কিন্তু ভারতের মতো গণতান্ত্রিক এবং সংসদীয় রাজনীতি নির্ভর দেশে কি সত্যিই CJP-র গুরুত্ব আছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজল ইন্ডিয়া টুডে এবং সি ভোটারের 'মুড অফ দ্য নেশন' সমীক্ষা। 

সেই সমীক্ষায় সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এই CJP যদি সরকার বিরোধী সংগঠন হিসেবে কাজ করতে চায় তাহলে কি তারা সফল হবে? 'মুড অফ দ্য নেশন'-এ এই প্রশ্নের উত্তরে ৩৯ শতাংশ মানুষের দাবি, ককরোচ জনতা পার্টির চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠন বা দল হিসেবেই থাকা উচিত। অন্যদিকে ২৬ শতাংশ বিরুদ্ধ মত প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসদের সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করে ভোটে লড়া উচিত। সুতরাং এই সমীক্ষার ফল থেকেই স্পষ্ট, ককরোচ জনতা পার্টিকে সমাজের একটা বড় অংশের মানুষ সিরিয়াসলি নিচ্ছেন। তাঁরা মনে করছেন, ওই সংগঠনের থাকা উচিত। সেটা প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশগ্রহণ বা না করে। 

সমীক্ষার পরবর্তী প্রশ্ন ছিল, যদি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে CJP, তাহলে তাদের কি ভোট দেবে? উত্তরে ৩৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা ভোট দেবেন। অন্যদিকে ৪৩ শতাংশের দাবি, তাঁরা ওই দলের প্রার্থীদের ভোট দেবেন না। এর থেকে বোঝা যায়, ককরোচরা এখনই সার্বজনিকভাবে প্রকাশ্য সমর্থন পাচ্ছে না। তাদের তা পেতে গেলে হয়তো আরও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। 

চাকরি না শিক্ষা, কোনটি বড় ইস্যু?

যখন সমীক্ষায় দেশের জেন-জিদের জিজ্ঞাসা করা হয়, এই মুহূর্তে তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা না চাকরি? উত্তরে ৫৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কর্মসংস্থানই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। যদিও ২২ শতাংশ শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। এই সমীক্ষায়, জীবনযাত্রার ব্যয় বা মুদ্রাস্ফীতি ১২ শতাংশ তরুণ-তরুণীর জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। সেখানে মাত্র ৪ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। 

Advertisement

তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের যোগ্য করে তোলার দায়িত্ব কার?

'মুড অফ দ্য নেশন'-এ  জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তাদের কর্মসংস্থানের যোগ্য করে তোলার প্রাথমিক দায়িত্ব কার? উত্তরে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের নাম উল্লেখ করেছে। ৬৩ শতাংশ বিশ্বাস করে, তাদের কর্মসংস্থানের যোগ্য করে তোলার প্রাথমিক দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের। ১৪ শতাংশ এই দায়িত্ব স্কুল ও কলেজের বলে দাবি করেছে। সেখানে ৯ শতাংশ বেসরকারি নিয়োগকর্তাদের এবং ৫ শতাংশ জানিয়েছে, কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্য করে তোলার কাজ পরিবারের। 

POST A COMMENT
Advertisement