হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে সুস্মিতা দেবের বৈঠকতৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন থামতেই চাইছে না। দু দিন আগেই সুখেন্দুশেখর রায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্যপদ ছেড়েছেন। আজ অর্থাত্ বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়লেন অসমের তৃণমূলনেত্রী সুস্মিতা দেবও। এখানেই শেষ নয়, সূত্রের খবর, সুস্মিতা দেব যোগ দিতে চলেছেন বিজেপি-তে। সুস্মিতাকে অসম ও ত্রিপুরার দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে মিটিং সেরে ফেলেছেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই বিজেপি-তে যোগ দিতে চলেছেন। এবং অসমে লোকসভা উপনির্বাচনে বিজেপি-র টিকিটেই লড়বেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশ থেকে একে একে সরে যাচ্ছেন একদা বিশ্বস্ত নেতা-নেত্রী
লোকসভায় ইতিমধ্যেই ২০ জন তৃণমূল সাংসদ NDA-তে যোগ দেওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। কাকলি ঘোষদস্তিদারের নেতৃত্বে ওই সাংসদরা দল বেঁধে এনডিএ জোটে যাচ্ছেন। রাজ্যসভাতেও ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, খবর এল, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী সায়নী ঘোষও বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে এনডিএ-তে যোগ দিতে চলেছেন। মোদ্দা বিষয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশ থেকে একে একে সরে যাচ্ছেন একদা বিশ্বস্ত নেতা-নেত্রীরা।
TMC bleeds as Sushmita Dev quits party and Rajya Sabha amidst rebellion in party
— ANI Digital (@ani_digital) June 10, 2026
Read @ANI Story |https://t.co/PquvgSYLtZ#TMC #SushmitaDev #MamataBanerjee #WestBengal pic.twitter.com/uj5hMBprpC
সিলচরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন সুস্মিতা
রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণকে লেখা চিঠিতে অবিলম্বে ইস্তফাপত্র গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন সুস্মিতা দেব। অতীতে অসমের সিলচরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন সুস্মিতা। ২০১৯ সালে হেরে যান। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূলে যোগ দিয়েই দলের জাতীয় মুখপাত্রের পদ ও রাজ্যসভার টিকিটও পেয়ে যান সুস্মিতা দেব।
বাংলা থেকে রাজ্যসভায় ১৬টি আসন রয়েছে
শুরুটা হয়েছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধানসভায় ভাঙন দিয়ে। তারপর সংসদেও একের পর এক তৃণমূল সাংসদ বিদ্রোহী। ইতিমধ্যেই ২০ জন সাংসদ বিজেপি নেতা ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক সেরে ফেলেছেন। এঁরা সবাই যোগ দিতে চলেছেন এনডিএ জোটে। বাংলা থেকে রাজ্যসভায় ১৬টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে রাজ্যসভায় তৃণমূলের মোট সাংসদ সংখ্যা ছিল ১৩ জন। ইতিমধ্যেই সুখেন্দুশেখর ও সুস্মিতা দেব ইস্তফা দিয়েছেন। কোয়েল মল্লিক এখনও ইস্তফা দেননি। যদি কোয়েল বা আরও কেউ ইস্তফা দেন, তাহলে এই আসনগুলিতে ফের ভোট হবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্যসভায় বাংলা থেকে আরও সাংসদ পাঠাতে পারবে বিজেপি।