ভারতের জাতীয় পতাকাভারত স্বাধীন হয়েছে ১৯৪৭ সালে। আর ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান পেয়েছে ভারত। সেখানে আজ ২০২৬। মাঝে কেটে গিয়েছে এতগুলি বছর। তবে ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে ২৬ জানুয়ারিতে এত দিন পর্যন্ত ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়েনি। তবে সেই ধারায় বদল হল আজ। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের জন্য তেরঙা পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের এই অঞ্চলে।
আসলে স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের এই অঞ্চলে অতিবামেদের আস্তান ছিল। রাষ্ট্রের ক্ষমতা ছিল না সেখানে পৌঁছে যাওয়ার। যার ফলে সেখানে কখনও ২৬ জানুয়ারি ওড়েনি পতাকা। এমনকী পালন হয়নি দিনটি। তবে সেই ধারায় বদল এল এই প্রথমবার। যতদূর খবর, বীজাপুর, নারায়ণপুর এবং সুকমা জেলার ৪৭টি গ্রামে আজ প্রথমবারের জন্য পালিত হচ্ছে ২৬ জানুয়ারি। আর এই দৃশ্য দেখেই অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন যে অবশেষে ছত্তিশগড়ের এসব জেলা থেকে বিদায় নিয়েছ মাওবাদী এবং নক্সালরা। যার ফলে এই অঞ্চলে ভারতের পতাকা তোলা সম্ভব হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা ঠিক হয়েছে
ভারতে নরেন্দ্র মোদী সরকার শপথ নেওয়ার পর থেকেই ছত্তিশগড়ে লাল সন্ত্রাস দমনে উঠেপড়ে লেগে পড়েছিল। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছে। সিকিউরিটি ফোর্স নেমে পড়ে অ্যাকশনে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষকে বোঝানোর কাজও শুরু হয়ে যায়। আর তাতেই মিলল সাফল্য।
এই অঞ্চলে গত ২ বছরে নতুন ৫৯টি ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। প্রশাসনও সাধ্যমতো চেষ্টা করছে মানুষের সঙ্গে থাকার। আর সেই কারণেই এই সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।
গত বছর এখানকার ৫৩টি গ্রামে পতাকা উড়েছিল। এই বছর ৪৭টি গ্রাম জুড়ল সেই তালিকায়। আর এই ঘটনাকে প্রশাসনিক সাফল্য বলেই তুলে ধরা হচ্ছে।
৫৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস
আজ দেশের ৫৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস। এবারের থিম হল বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর পূর্তি। আর আজ প্রজাতন্ত্র দিবসকে ঘিরে দিল্লিতে সাজো সাজো রব। হাজির ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের কর্তারা। পাশাপাশি দেশের সমস্ত স্তরের মানুষকে এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে জোড়া হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও থাকবেন। তোলা হবে জাতীয় পতাকা। তারপর শুরু হবে কুচকাওয়াজ। আর সেই দিকেই নজর থাকবে গোটা ভারতবর্ষের। কারণ, আজ যে গর্বের দিন। আজ যে দেশনায়কদের শ্রদ্ধা জানানোর দিন।