জমি দখল মামলায় আরও বিপাকে বিদ্রোহী TMC সাংসদ, ইউসুফের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ পুরসভার

সদ্য NCPI-তে নাম লেখানো এই সাংসদের দখলে থাকা একটি জমির ভ্যালু নির্ধারণ করল ভাদোদরা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (ভিএমসি)। ৯৭৮ বর্গমিটার আয়তনের ওই জমির মূল্য প্রতি বর্গমিটার ২.১০ লক্ষ টাকা হিসেবে নির্ধারণ করেছে।

Advertisement
জমি দখল মামলায় আরও বিপাকে বিদ্রোহী TMC সাংসদ, ইউসুফের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ পুরসভারজমি জবরদখল মামলায় আরও বিপাকে বিদ্রোহী TMC সাংসদ ইউসুফ পাঠান
হাইলাইটস
  • আরও চাপ বাড়ল বিদ্রোহী TMC সাংসদ ইউসুফ পাঠানের জন্য।
  • ৯৭৮ বর্গমিটার আয়তনের ওই জমির মূল্য প্রতি বর্গমিটার ২.১০ লক্ষ টাকা হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
  • ইউসুফ পাঠানের দখলে থাকা জমিটি ভাদোদরার তান্ডালজা এলাকায় অবস্থিত।

জমি জবরদখল মামলায় আরও চাপ বাড়ল বিদ্রোহী TMC সাংসদ ইউসুফ পাঠানের জন্য। সদ্য NCPI-তে নাম লেখানো এই সাংসদের দখলে থাকা একটি জমির ভ্যালু নির্ধারণ করল ভাদোদরা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (ভিএমসি)। শুক্রবার পুরসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি ৯৭৮ বর্গমিটার আয়তনের ওই জমির মূল্য প্রতি বর্গমিটার ২.১০ লক্ষ টাকা হিসেবে নির্ধারণ করেছে।

ভিএমসির স্ট্যান্ডিং কমিটি এদিন মোট সাতটি জমির ভ্যালুয়েশন সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ইউসুফ পাঠানের দখলে থাকা জমিটি ভাদোদরার তান্ডালজা এলাকায় অবস্থিত। 

ভাদোদরা পুরসভার সেক্রেটারি চিন্তন দেশাই জানান, কোনও জমি নিলামে তোলার আগে তার বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়। তবে মূল্য নির্ধারণ করা মানেই যে জমিটি অবিলম্বে নিলামে তোলা হবে, এমন নয়। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দেশাই বলেন, “একবার মূল্যায়ন হলে তা তিন বছর পর্যন্ত বৈধ থাকে। এরপর জমি বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন করে মূল্য নির্ধারণ করতে হয়। ভিএমসি, ভাদোদরা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ভিইউডিএ), রাজ্য সরকার এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই মূল্যায়ন করে।” তিনি আরও জানান, আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ভিএমসির সাধারণ সভায় অনুমোদনের পর এই মূল্যায়ন চূড়ান্ত হবে।

জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে VMC-র একটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে ইউসুফ পাঠান ওই জমি দখলে নেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রস্তাবটি রাজ্য সরকারের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে সরকার তা খারিজ করে দেয়। তা সত্ত্বেও ২০১২ সাল থেকে তিনি জমিটির দখল বজায় রেখেছেন বলে অভিযোগ। পঠান বেআইনি ভাবে জমি দখল করে রেখেছেন, এই মর্মে তৎকালীন বিজেপি কাউন্সিলর বিজয় পওয়ার অভিযোগ করেন। তবে এত বছর ধরে জমিটি প্রাক্তন ক্রিকেটার ব্যবহার করছিলেন। 

২০২৪ সালে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর VMC তাঁকে জমি খালি করার নোটিশ পাঠায়। সেই নোটিশের বিরুদ্ধে তিনি গুজরাট হাইকোর্টে মামলা করেন। কিন্তু হাইকোর্টের একক বেঞ্চ রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।  এরপর ইউসুফ পাঠান ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। সম্প্রতি ডিভিশন বেঞ্চও তাঁর বিরুদ্ধে কড়া মন্তব্য করে। আদালত মৌখিকভাবে জানায়, ২০১২ সাল থেকে জমিটি দখলে রাখার জন্য তাঁকে খেসারতও দিতে হতে পারে।

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement