WB Police: তদন্তে গিয়ে নয়ডায় হেনস্থার শিকার কৃষ্ণনগর পুলিশ? বড় অভিযোগ রাজ্য পুলিশের

পুলিশের দাবি, ফেজ-টু থানা এলাকার চৌকি নম্বর ১১০-এর অধীনস্থ পুলিশকর্মীরা বিশেষ দলকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন। কোর্টের পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও প্রায় দেড় ঘণ্টা থানায় বসিয়ে রাখা হয় তাঁদের। বর্তমানে বিশেষ দল এখনও নয়ডায় রয়েছে এবং অভিযুক্তকে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement
তদন্তে গিয়ে নয়ডায় হেনস্থার শিকার কৃষ্ণনগর পুলিশ? বড় অভিযোগ রাজ্য পুলিশেরমহুয়া মৈত্র ও প্রশান্ত কিশোর।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরকে ঘিরে ভাইরাল হওয়া একটি তথাকথিত ‘চ্যাট’-এর স্ক্রিনশট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
  • অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের নয়ডার বাসিন্দা সুরজিৎ সেনগুপ্ত নামে এক ব্যক্তি এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া ও প্রশান্তের ব্যক্তিগত কথোপকথনের দাবি করে একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন।

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরকে ঘিরে ভাইরাল হওয়া একটি তথাকথিত ‘চ্যাট’-এর স্ক্রিনশট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের নয়ডার বাসিন্দা সুরজিৎ সেনগুপ্ত নামে এক ব্যক্তি এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া ও প্রশান্তের ব্যক্তিগত কথোপকথনের দাবি করে একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন। মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। যদিও ওই চ্যাটের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে চ্যাটটির ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা করায়। পুলিশ সূত্রে দাবি, পরীক্ষায় প্রমাণিত হয় যে স্ক্রিনশটটি ভুয়ো ও মনগড়া। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তা তৈরি ও ছড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

 

এরপর অভিযুক্ত সুরজিৎ দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে পুলিশ নোটিস পাঠায়। ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁকে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি উপস্থিত হননি বলে অভিযোগ। যোগাযোগও করেননি বলে দাবি পুলিশের। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সেই পরোয়ানা কার্যকর করতে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার চার সদস্যের একটি বিশেষ দল নয়ডায় যায়।

কিন্তু সেখানেই তৈরি হয় জটিলতা। অভিযোগ, নয়ডার ফেজ-টু থানার পুলিশ বাংলার পুলিশকেই থানায় নিয়ে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে সহযোগিতা তো দূরের কথা, বরং স্থানীয় পুলিশের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত পালাতে সক্ষম হন বলেও দাবি। এমনকি রাজনৈতিক উচ্চমহলের নির্দেশে গ্রেফতার না করার কথাও জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষ্ণনগর থানার আইসি।

পুলিশের দাবি, ফেজ-টু থানা এলাকার চৌকি নম্বর ১১০-এর অধীনস্থ পুলিশকর্মীরা বিশেষ দলকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন। কোর্টের পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও প্রায় দেড় ঘণ্টা থানায় বসিয়ে রাখা হয় তাঁদের। বর্তমানে বিশেষ দল এখনও নয়ডায় রয়েছে এবং অভিযুক্তকে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

POST A COMMENT
Advertisement