অনাস্থা প্রস্তাবে কেন সই করলেন না রাহুল?লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে একট্টা হয়ে গিয়েছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই বিরোধীদের তরফ থেকে অনাস্থা প্রস্তাব লোকসভার সেক্রেটরি জেনারেলের কাছে পেশ করা হয়েছে। বিভিন্ন দলের মোটামুটি ১২০ সাংসদ এই প্রস্তাব আনার নোটিশে সই করেছেন। আর সেই তালিকায় কংগ্রেস, ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টি রয়েছে।
এই নোটিশ পেশ হওয়ার পরই লোকসভার কাজ থেকে বিরত থেকেছেন ওম বিড়লা। তিনি মঙ্গলবার সংসদে নিজের চেয়ারে বসেননি।
যদিও মাথায় রাখতে হবে, রাহুল গান্ধী এই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করেননি। আর এই বিষয়টা নিয়েই উঠে গিয়েছে প্রশ্ন। যদিও এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে কংগ্রেস।
কী জানান হয়েছে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে?
তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রাহুল গান্ধীর এই নোটিশে সই করা সমীচীন নয়। লোকসভার বিরোধী দলনেতার এই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করা উচিত নয়। এটা ঠিক দেখায় না।
মাথায় রাখতে হবে যে মঙ্গলবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে সরিয়ে দেওয়ার নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। তাঁদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এবারের বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওম বিড়লা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে বলতে দেননি। এছাড়া বিরোধীদের দাবি হল, কংগ্রেস নিয়ে মিথ্যে মন্তব্য করেছেন স্পিকার।
বড় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
রাহুল গান্ধী সই না করলেও এই অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে তাঁর সহমত রয়েছে। আর কংগ্রেস নিজেদের এই কাজে গর্বিতও বটে। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা মানিকম ঠাকুর সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেন, 'বিরোধীরা সংবিধানের উপর পূর্ণ আস্থা রাখে... অনেক বছর পর কোনও স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হল। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।'
টিএমসি সই করেনি
মাথায় রাখতে হবে যে, এই অনাস্থা প্রস্তাব সই করেনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের পক্ষ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, এখনই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করবে না তৃণমূল।