E20 Petrol Not Cheaper: E20-তে ২০% ইথানল, তাও কেন কমছে না পেট্রোলের দাম? জানাল সরকার

ই২০ পেট্রোলে ইথানলই থাকে ২০ শতাংশ। তারপরও কমছে না তেলেক দাম? কেন এমন পরিস্থিতি? সেই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলল সরকার।

Advertisement
 E20-তে ২০% ইথানল, তাও কেন কমছে না পেট্রোলের দাম? জানাল সরকারই২০ পেট্রোল
হাইলাইটস
  • ই২০ পেট্রোলে ইথানলই থাকে ২০ শতাংশ
  • তারপরও কমছে না তেলেক দাম?
  • কেন এমন পরিস্থিতি?

ভারতে এখন বিতর্কে ২০ শতাংশ ইথানল-মেশানো ই২০ পেট্রোল। পাম্পে পাম্পে এখন এই পেট্রোল। এরপরও পেট্রোলের দাম কমছে কই? অনেকেই বলছেন, এখন তো প্রতি লিটার পেট্রোলে ২০ শতাংশ ইথানল রয়েছে। তাহলে সাধারণ পেট্রোলের থেকে এর দাম কম নয় কেন? আর সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। তাদের বক্তব্য, ই২০ পেট্রোলের মূল উদ্দেশ্য পাম্পে পেট্রোলের দাম কমানো নয়, বরং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়ানো। সহজ ভাষায় বললে, অন্যান্য দেশ থেকে অপরিশোধিত তেলের উপর নির্ভরতা কমানোই উদ্দেশ্য সরকারের।

এই বিষয়টা নিয়ে এফএকিউ উত্তর দিয়েছে মন্ত্রক। বর্তমানে ইথানল পাওয়ার খরচ কিছুটা বেশি। তাই ই২০ পেট্রোল তৈরি করতে সাধারণ পেট্রোলের তুলনায় বেশি খরচ হয়। কিন্তু এতে খাঁটি পেট্রোলের পরিমাণ কম থাকে।

ই২০ পেট্রোলের দাম সাধারণ পেট্রোলের চেয়ে কম নয় কেন?
মন্ত্রকের মতে, কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করছে সরকার। তাই তারা নির্দিষ্ট দামে ইথানল কিনে থাকে। বর্তমানে ভুট্টা (মকাই) থেকে তৈরি ইথানল প্রতি লিটারের দাম ৭১.৮৬ টাকা। এর সঙ্গে জিএসটি, পরিবহণ, সংরক্ষণ এবং ডিপো পরিচালনার খরচ ধরা নেই।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমানে ব্যারেল প্রতি প্রায় ৭০ মার্কিন ডলার। এই পরিস্থিতিতে ই২০ পেট্রোল তৈরি করতে সাধারণ পেট্রোলের তুলনায় বেশি খরচ পড়ে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।

মন্ত্রকের ব্যাখ্যা, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহ বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতিদিন ওঠানামা করে। কিন্তু ইথানলের দাম মোটামুটি স্থির থাকে। তাই পেট্রোলে ইথানল মেশানো মানেই উৎপাদন খরচ কমে যাবে, এমন নয়।

ই২০ পেট্রোল তৈরি করতে বেশি খরচ হয় কেন?
এহেন প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছে মন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, ইথানলের দামের মধ্যে কাঁচামাল সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহণ, সংরক্ষণ এবং অন্যান্য লজিস্টিক খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। পাশাপাশি কৃষকদের আয় নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

Advertisement

তাদের বক্তব্য, ইথানল মেশানোর উদ্দেশ্য সস্তা জ্বালানি তৈরি করা নয়। বরং ভারতের জ্বালানির উৎস তৈরি করা। অপরিশোধিত তেলের উপর নির্ভরতা কমানো।

তবে মন্ত্রক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম যদি ব্যারেল প্রতি ১২০ থেকে ১৩০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যায়, তাহলে ইথানল তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে যাবে। তখন লাভের দেখা মিলতে পারে।

ভারতের কী লাভ?
মন্ত্রক জানিয়েছে, ইথানল ব্লেন্ডেড পেট্রোল কর্মসূচির ফলে এখন পর্যন্ত ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হয়েছে। এছাড়া ৩১৬ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেলের ব্যবহার কমেছে। প্রায় ৯৫২ লক্ষ মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন হ্রাস পেয়েছে। সেই সঙ্গে ১.৬৬ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ কৃষকদের হাতে পৌঁছেছে। 


 

POST A COMMENT
Advertisement