'এরা কেউ বিদ্রোহী নন। সবাই পলাতক। আমাদের প্রতীকেই লড়েছিলেন। সরকার যাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যেই দুর্নীতি দেখে ফেললেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে তো ক্যামেরায় ৫ লক্ষ টাকা নিতে দেখা গিয়েছে'। বললেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ।