
আগামী ১৬ জুলাই পালিত হবে রথযাত্রা। পুরীতে এটি মহোৎসব। পুরীর মন্দির থেকে রথে করে মাসি গুণ্ডিচার বাড়ি যাত্রা করবেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা।

তবে রথযাত্রা ছাড়াও পুরীর মন্দিরে প্রতিদিনই প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। আর প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষের জন্য ভোগ রান্না হয় মন্দিরের রান্নাঘরে।

তবে মহাপ্রভু জগন্নাথের ভোগ রান্নার কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। দেবতাকে নিবেদন করার পর সেই ভোগ বিতরণ করা হয় ভক্তদের মধ্যে।

বেশ কিছু খাদ্যদ্রব্য আছে, যা ভোগে ব্যবহার করা হয় না। বিশ্বাস রয়েছে সেই বস্তুগুলি পছন্দ করেন না জগন্নাথদেব।

ভোগের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না আলু। এছাড়াও বাদ দেওয়া হয় টমেটো, বিট, ভুট্টা, মটরশুঁটি, বাঁধাকপি, গাজর, ধনে পাতা, বিন, ক্যাপসিকাম, করলা, ঢেঁড়শ ও শসা।

মশলাও কিছু কিছু বাদ দেওয়া হয় জগন্নাথদেবের ভোগ থেকে। এলাচ ও লবঙ্গ কখনই ব্যবহার করা হয় না।

জগন্নাথ মন্দিরের হেঁশেল বিশাল বড়। সেখানে রাঁধা খাবার বিতরণ করা হয় হাজার হাজার ভক্তের মধ্যে। বলা হয় জগন্নাথ মন্দিরের ভোগপ্রসাদ কখনও শেষ হয় না। যত ভক্তই আসুন না কেন, ভোগ পাবেনই।

১৫ হাজার স্কোয়্যার ফুট এলাকা জুড়ে তৈরি পুরীর মন্দিরের রান্নাঘর।

সাধারণত সিদ্ধ করা খাবারই করা হয় পুরীর মন্দিরে জগন্নাথদেবের ভোগ হিসেবে।

প্রথমে জগন্নাথদেবকে প্রসাদ অর্পণ করা হয়। তারপর সেই প্রসাদ হয় মহাভোগ। যেটি ভক্তদের বিতরণ করা হয়।