টাকার বাস্তু টিপসVastu Tips For Money Locker: বাঙালির কষ্টার্জিত টাকা, গয়না কিংবা প্রয়োজনীয় দলিল সব থাকে সিন্দুকেই। সবকিছুই আমরা পরম যত্নে সেখানে আগলে রাখি। কিন্তু শাস্ত্র মতে, এই সিন্দুক কখনও খালি রাখা অশুভ। অনেকেই অভিযোগ করেন, আয় ভালো হলেও সিন্দুকে টাকা থাকছে না। আপনিও কি সেই সমস্যায় ভুগছেন? তবে জেনে নিন সিন্দুক সর্বদা সম্পত্তিতে ভরা রাখার ১০টি অব্যর্থ উপায়।
পুজোর সুপারি ও কড়ির জাদু
প্রথমেই মনে রাখবেন, মা লক্ষ্মীর স্থায়ী নিবাস তখনই হয়, যেখানে বুদ্ধির অধিপতি গণেশ থাকেন। পুজোর সুপারিকে গৌরী-গণেশের রূপ মনে করা হয়। লক্ষ্মীপুজোর সময় একটি আস্ত সুপারিকে সিঁদুর, ফুল ও লাল সুতো দিয়ে পুজো করে সেটি সিন্দুকে রেখে দিন। দেখবেন ঘরে কেমন শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে। একইভাবে, কোনও এক শুক্রবার পাঁচটি কড়ি, অল্প কেশর ও একটি হলুদ কাপড়ে রুপোর কয়েন বেঁধে সিন্দুকে রাখুন। সঙ্গে এক টুকরো হলুদ রাখতে ভুলবেন না। কয়েক দিনের মধ্যেই তফাত বুঝতে পারবেন।
নোটের বান্ডিল ও অশ্বত্থ পাতার প্রভাব
সিন্দুকে সব সময় অন্তত ১০ টাকার নোটের একটি বান্ডিল এবং কিছু তামা বা পিতলের কয়েন রাখা খুব ভালো। তবে সাবধান, অ্যালুমিনিয়াম বা জার্মান সিলভারের কয়েন ভুলেও রাখবেন না। আর্থিক বাধা কাটাতে অশ্বত্থ পাতার টোটকাটিও দারুণ। একটি অশ্বত্থ পাতায় ঘি মেশানো সিঁদুর দিয়ে ‘ওম’ লিখে সিন্দুকে রাখুন। টানা পাঁচ শনিবার পাঁচটি পাতা এভাবে জমা হলে আপনার উপার্জনের পথের সব বাধা কেটে যাবে।
শঙ্খ ও ভূর্জপত্রের মাহাত্ম্য
তন্ত্রশাস্ত্রে দক্ষিণাবর্তী শঙ্খের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। লকারে এই শঙ্খ রাখলে লক্ষ্মী দেবী স্বয়ং আকৃষ্ট হন। অন্যদিকে, ধনের দেবী শ্রী-কে খুশি করতে ভূর্জপত্রে লাল চন্দনের কালি ও ময়ূরের পালক দিয়ে ‘শ্রী’ লিখে সিন্দুকে রাখতে পারেন। এতে জমানো পুঁজি বাড়তে শুরু করবে।
গাছের শিকড় ও যন্ত্রের শক্তি
রবি-পুষ্যা নক্ষত্রের দিনে বহেড়া গাছের শিকড় বা পাতা লাল কাপড়ে বেঁধে ভাণ্ডার ঘরে রাখলে সমৃদ্ধি বাড়ে। এছাড়া রুপোর পাত্রে শঙ্খপুষ্পীর শিকড় প্রতিষ্ঠা করে সিন্দুকে রাখলে লক্ষ্মীর কৃপা বজায় থাকে। আর যদি কিছুই না পারেন, তবে অন্তত একটি ‘ঐশ্বর্য বৃদ্ধির যন্ত্র’ বা ‘ধনদা যন্ত্র’ বিধি মেনে পুজো করে সিন্দুকে রেখে দিন। এতে আপনার লকার কখনও শূন্য হবে না, বরং দিনের পর দিন ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে।