শুক্রবারের আগেই বাড়িতে আনুন এই ৫টি জিনিসমে মাসের শুরুর দিনই রয়েছে বুদ্ধ পূর্ণিমা। এই উৎসব বৈশাখ পূর্ণিমা নামেও পরিচিত। তাই ১ মে শুক্রবার হিন্দু ও বৌদ্ধ উভয় ধর্মের ক্ষেত্রেই এই দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে ভগবান বিষ্ণু মহাত্মা বুদ্ধ রূপে অবতার গ্রহণ করেছিলেন। তাই এই দিনে মানুষ সমৃদ্ধি লাভের আশায় প্রার্থনা করে এবং বাড়িতে শুভ জিনিসপত্র নিয়ে আসে। ঠিক কোন কোন জিনিস বুদ্ধ পূর্ণিমায় বাড়িতে আনা উচিত? জেনে নেওয়া যাক।
পিতলের হাতি
পিতলের হাতিকে বাড়িতে স্থায়িত্ব ও শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাস্তু ও ফেং শুই উভয়কেই শুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, বুদ্ধ পূর্ণিমায় পিতলের হাতি ঘরে আনলে নেতিবাচক শক্তি হ্রাস পায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে। পিতলের হাতি বসার ঘরে বা প্রধান দরজার কাছে রাখাই সবচেয়ে ভালো বলে মনে করা হয়।
বুদ্ধ মূর্তি
বুদ্ধের মূর্তি শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তার প্রতীক। বিশ্বাস করা হয়, এই মূর্তি বাড়িতে রাখলে মানসিক চাপ কমে এবং মন শান্ত হয়। ফেং শুই অনুসারে, লাফিং বুদ্ধা বা ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের মূর্তি বাড়িতে সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য বয়ে আনে। এমন মূর্তিকে একটি পরিষ্কার ও উঁচু স্থানে রাখা উচিত।
রুপোর মুদ্রা
রূপোকে চাঁদ ও পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বুদ্ধ পূর্ণিমায় ঘরে রুপোর মুদ্রা আনলে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। রুপোর সিক্কা বা মুদ্রা বাড়ির সিন্দুকে বা পুজোর জায়গায় রাখলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়। অনেকে এটিকে শুভ সূচনার চিহ্ন হিসেবেও মনে করেন।
শ্রী যন্ত্র
শ্রী যন্ত্রকে ধন-সম্পত্তি ও সমৃদ্ধির শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, দেবী লক্ষ্মী এই যন্ত্রে বাস করেন। বুদ্ধ পূর্ণিমায় এটিকে ঘরে স্থাপন করলে আর্থিক লাভ ও উন্নতির পথ খুলে যায়। এই যন্ত্রকে পুজোর ঘরে রাখা এবং নিয়মিত পুজো করা শুভ বলে মনে করা হয়।
কড়ি
প্রাচীনকাল থেকেই কড়িকে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বলা হয়, এগুলো দেবী লক্ষ্মীর প্রিয়। বুদ্ধ পূর্ণিমায় ঘরে কড়ি রাখলে সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। এগুলোকে লাল কাপড়ে মুড়ে সিন্দুকে রাখলে আরও বেশি কল্যাণকর বলে মনে করা হয়।