Chanakya Niti: চাণক্যের বলেছেন এই ৭ জনকে ভুলেও পা ছোঁয়াবেন না, পতন রুখতে জানুন সঠিক নীতি

Chanakya Niti: চাণক্য নীতির বর্ণনা অনুযায়ী, অগ্নি বা আগুনকে কখনও পা দিয়ে স্পর্শ করা উচিত নয়। হিন্দু ধর্মে অগ্নিকে দেবতা হিসেবে পুজো করা হয়, তাই তাকে পা লাগানো মানে দেবতাদের অপমান করা।

Advertisement
চাণক্যের বলেছেন এই ৭ জনকে ভুলেও পা ছোঁয়াবেন না, পতন রুখতে জানুন সঠিক নীতিচাণক্য নীতি

Chanakya Niti: ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ কূটনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে আচার্য চাণক্যের স্থান অবিসংবাদিত। তাঁর অমর সৃষ্টি ‘চাণক্য নীতি’ কেবল রাজনীতির পাঠ দেয় না, বরং দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে পদে পদে সতর্ক করে। আচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমাদের আশেপাশে এমন সাতজন ব্যক্তি বা বস্তু রয়েছেন যাঁদের শরীরের কোনও অংশে পা লাগানো বা পা দিয়ে স্পর্শ করা ঘোরতর পাপ ও দুর্ভাগ্যের কারণ। এমনকী ভুলবশত পা লেগে গেলেও তৎক্ষণাৎ ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত, নচেৎ জীবনে নেমে আসতে পারে ঘোর অন্ধকার। ২০২৬-এর এই আধুনিক যুগে দাঁড়িয়েও চাণক্যের এই অনুশাসনগুলি সামাজিক শৃঙ্খলার জন্য আজও সমভাবে প্রাসঙ্গিক।

চাণক্য নীতির বর্ণনা অনুযায়ী, অগ্নি বা আগুনকে কখনও পা দিয়ে স্পর্শ করা উচিত নয়। হিন্দু ধর্মে অগ্নিকে দেবতা হিসেবে পুজো করা হয়, তাই তাকে পা লাগানো মানে দেবতাদের অপমান করা। একইভাবে শিক্ষক বা গুরুজনদের পা ছোঁয়ানো অনুচিত। ভারতীয় সংস্কৃতিতে গুরু হলেন ঈশ্বরের রূপান্তর, তাই তাঁদের চরণে প্রণাম করাই দস্তুর, আঘাত নয়। পাশাপাশি, শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। তাঁদের অগাধ জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখতে পা দিয়ে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আচার্য। বিড়লা-রাজের আভিজাত্য যেমন বিনয় ও শিষ্টাচারের ওপর টিকে থাকে, প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে এই নিয়মগুলি পালন করা একান্ত আবশ্যক।

এই তালিকায় আরও কয়েকজন রয়েছেন যাঁদের প্রতি পা ছোঁয়ানো চরম অপরাধ। কুমারী কন্যা বা ছোট শিশুদের পা লাগানো অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়, কারণ তাঁদের মধ্যে দেবীশক্তির রূপ কল্পনা করা হয়। এছাড়া বয়োবৃদ্ধ মানুষ বা গুরুজনদের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। বাড়ির বড়দের আশীর্বাদ নিতে সবসময় তাঁদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করা উচিত, ভুল করেও যেন পা না লাগে। গো-মাতা বা গাভী এবং চিকিৎসার দেবতা তথা বৈদ্য বা ডাক্তারদের প্রতিও সমপরিমাণ শ্রদ্ধা রাখা বাঞ্ছনীয়। শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা— বাংলার ঘরে ঘরে চাণক্যের এই নীতি আজও শিষ্টাচারের পাঠ দেয়। জীবনকে সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ করতে এই প্রাচীন সংহিতা মেনে চলাই হবে প্রকৃত বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement