চাণক্য নীতিঅনেক সময়ই আমরা মানুষকে পরামর্শ দিয়ে থাকি। কিন্তু সবাই যে পরামর্শ শুনবেন, এমনটা নাও হতে পারে। অনেক সময় এমন হয় যে, কাউকে পরামর্শ দেওয়ার পর আপনি নিজেই সমস্যায় পড়ে যেতে পারেন। তাই আচার্য চাণক্য মনে করেন সবাইকে পরামর্শ দেওয়া উচিত নয়। বরং মানুষ বেছে পরামর্শ দেওয়া উচিত। নইলে নিজেই সমস্যায় পড়বেন। তাই ঝটপট জেনে নিন চাণক্য নীতি অনুযায়ী কোন ৪ ধরনের মানুষকে পরামর্শ দেওয়া উচিত নয়।
১. যিনি আপনার কথা বুঝতেই চান না
অনেকেই সত্যি কথা শুনতে চান না। নিজের ভুল শুনতে চান না। আর এমন ব্যক্তিদের পরামর্শ দিলেও তাঁরা এড়িয়ে যান। আপনার কথা তাঁরা বারবার উড়িয়ে দিতে পারেন। এমনকী পিছনে হাসাহাসি করতে পারেন। চাণক্য নীতি অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যক্তিদের নিজের পরামর্শ দিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। বরং এমন ক্ষেত্রে খুব প্রয়োজন হলে একবার বলুন। দেখুন তিনি কথা শোনেন কি না। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ নিন।
২. কথায় কথায় তর্ক
অনেকেই নিজেকে সব বোদ্ধা মনে করেন। তাই কোনও পরামর্শ দিলেও বারবার তর্ক জুড়ে দেন। আর এই ধরনের মানুষকেও পরামর্শ দেওয়া উচিত নয় বলেই মনে করছেন আচার্য চাণক্য। তাঁর নীতি অনুযায়ী, যাঁকে পরামর্শ দিতে গিয়ে বারবার ঝামেলা অশান্তি হয়, তাঁকে কোনওভাবেই পরামর্শ দেওয়া যাবে না। তাতে সমস্যা বাড়তে পারে। বরং এমন পরিস্থিতিতে চুপ করে যাওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
৩. যেখানে সম্মান পাওয়া যায় না
অনেকেই সম্মান দিতে পারেন না। বরং অপমানজনক কথা বলে থাকেন। আর এই ধরনের মানুষকেও পরামর্শ দিতে বারণ করেন আচার্য চাণক্য। তাঁর নীতি অনুযায়ী, সম্মান যিনি দিতে পারেন, তাঁকেই পরামর্শ দিন। যিনি অপমান করেন, তাঁকে এড়িয়ে যেতে হবে। সেখানে চুপ থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
৪. পুরো বিষয়টা না জেনে
অনেকের জীবনে কী চলছে, সেটা বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে পুরো বিষয়টা সবার আগে জেনে নেওয়া জরুরি। নইলে পরামর্শ দিয়ে কোনও লাভ হবে না। তাই আচার্য চাণক্য মনে করছেন, কোনও বিষয়ে পুরোপুরি না জেনে একবারেই পরামর্শ দেওয়া উচিত নয়।
কখন নিজের মুখের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখবেন?
চাণক্য নীতি অনুযায়ী, রাগের সময়, পারিবারিক ঝামেলা এবং নিন্দার সময় নিজের মুখের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন।